উদ্ধার

মথুরায় ১১০ ফুট গভীর কুয়ো থেকে উদ্ধার পাঁচ বছরের শিশু

গাছের ফল পাড়তে গিয়ে কুয়োয় পড়ে গিয়েছিল পাঁচ বছরের প্রভীন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২০, ১১:১৬

options
link
মথুরায় ১১০ ফুট গভীর কুয়ো থেকে উদ্ধার পাঁচ বছরের শিশু

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আট ঘণ্টা চেষ্টার পর ১১০ ফুট গভীর কুয়োর নিচ থেকে উদ্ধার করা হল পাঁচ বছরের শিশুকে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলার শেরগড় এলাকার আগরওয়ালা গ্রামে।

Advertisement

[আরও পড়ুন-ভিন জাতের ছেলেকে বিয়ের শাস্তি, স্বামীকে কাঁধে নিয়ে ঘুরলেন যুবতী]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুরে আগরওয়ালা গ্রামের বাসিন্দা পাঁচ বছরের প্রবীণ একটি কুয়োর ধারে থাকা একটি গাছে ফল পাড়তে গিয়েছিল। ফল পাড়ার সময় আচমকা সে পা ফসকে পাশের ১১০ ফুট গভীর কুয়োর মধ্যে পড়ে যায় সে। বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন গ্রামবাসীরা। খবর দেওয়া স্থানীয় প্রশাসনকেও। আট ঘণ্টা পরে অক্লান্ত পরিশ্রমের পরে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Advertisement

এপ্রসঙ্গে মথুরার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শের সিং বলেন, “বর্তমানে শিশুটি পুরোপুরি সুস্থ রয়েছে। কোনও সমস্যা নেই। তবে সাবধানতার জন্য ওকে কিছু ওষুধ দিয়েছি আমরা। শনিবার রাতটা পর্যবেক্ষণ করার পর রবিবার সকালে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।”

[আরও পড়ুন-‘প্রতিপক্ষকে দুর্বল মনে করি না’, একান্ত সাক্ষাৎকারে অকপট প্রিয়া দত্ত]

এনডিআরএফের সহকারী কমান্ডার অনিল কুমার সিং জানান, সেনাবাহিনীর জওয়ানদের সহযোগিতায় কয়েক ঘন্টা চেষ্টার পর ১১০ ফুট কুয়োর নিচ থেকে ওই শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

[আরও পড়ুন- রাফালে চুক্তির পর আম্বানির সংস্থার কর মুকুবের দাবি খারিজ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের]

মথুরা জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, দুপুর সাড়ে তিনটের সময় এই ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছায়। স্থানীয় চিকিৎসকদের একটি দলও ঘটনাস্থলে গিয়ে কুয়োর ভিতরে থাকা শিশুটির কাছে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।

[আরও পড়ুন-পুষ্টির কথা ভেবে গরিব শিশুদের তরমুজ খাইয়ে প্রচারে কন্নড় সুপারস্টার]

স্থানীয় এসডিও রাম দত্ত বলেন, এই দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরই স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি গাজিয়াবাদ থেকে এনডিআরএফ-র একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তাদের অক্লান্ত চেষ্টায় আটঘণ্টা পর শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

এর আগে গত ২৪ মার্চ প্রায় একই ঘটনা ঘটেছিল হরিয়ানার হিসার জেলার বালসামান্ড গ্রামে। সেখানে টানা ২৪ ঘণ্টা লড়াই করার পর ৭০ ফুট গভীর কুয়ো থেকে উদ্ধার করা হয় দেড় বছরের একটি শিশুকে। তাকে উদ্ধার করতে হাত লাগিয়েছিল হরিয়ানা পুলিশ, এনডিআরএফ ও সেনাবাহিনী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.