Homiopathy medicine

হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেয়ে নেশা করাই কাল হল! ছত্তিশগড়ে মৃত্যু ৭ জনের

গুরুতর অসুস্থ আরও অনেকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২১, ১৭:২৪

options
link
হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেয়ে নেশা করাই কাল হল! ছত্তিশগড়ে মৃত্যু ৭ জনের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  একই গ্রামের ৭ জনের রহস্যমৃত্যু ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh)। অসুস্থ ৫ জন। অনুমান, অ্যালকোহল-নির্ভর হোমিওপ্যাথি ওষুধ (Homeopathy medicine) খেয়েই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছে বিলাসপুরের (Bilaspur) পুলিশ। নিহত ৭ জনের মধ্যে ৪ জন তাঁদের বাড়িতেই মারা যান। বাড়ির লোকের প্রাথমিক ধারণা ছিল, তাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাই তড়িঘড়ি শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয় তাঁদের। কিন্তু পরে জানা যায় আসল সত্যিটা।

Advertisement

এখনও পর্যন্ত যা তথ্যপ্রমাণ মিলেছে, তা থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে হোমিওপ্যাথি ওষুধই এই বিপত্তির কারণ। কিন্তু কেন তাঁরা ওই ওষুধ খেয়েছিলেন? ঠিক কী হয়েছিল? জানা যাচ্ছে, গত মঙ্গলবার কর্মি গ্রামের কয়েক জন বাসিন্দা মঙ্গলবার রাতে ওই ওষুধ খান। আসলে মদ না পেয়ে তার বিকল্প হিসেবেই ওই ওষুধকে বেছে নেন তাঁরা। কেননা ওই ওষুধে রয়েছে ৯১ শতাংশ অ্যালকোহল। আর তা খাওয়ার পরেই রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন সকলে। বাড়িতেই মারা যান ৪ জন। পরের দিন বিকেলের মধ্যে বাকি ৩ জন মারা যান হাসপাতালে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : দেশে দৈনিক সংক্রমণের রেকর্ড, ২৪ ঘণ্টায় প্রথমবার করোনা আক্রান্ত ৪ লক্ষ ১২ হাজার]

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে যায় পুলিশ। তারা আবিষ্কার করে, গ্রামের আরও ৫ জন গুরুতর অসুস্থ। শুরু হয় তদন্ত। ক্রমে জানা যায় গ্রামের এক হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের কাছ থেকে ওই ওষুধ কিনেছিলেন এঁরা প্রত্যেকেই। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক যা কিছু সাক্ষ্য-প্রমাণ তার ভিত্তিতে এটা মনে করা হচ্ছে ওই সিরাপকে মদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করাতেই ঘটে যায় বিপত্তি।

তবে ঠিক ওই কারণেই মৃত্যু কিনা, তা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে আরও তদন্তের প্রয়োজন বলেই মনে করছে পুলিশ। তদন্তকারী পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, তাঁরা তদন্ত করছেন। এবং তাঁদের বিশ্বাস দ্রুতই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

[আরও পড়ুন : টানা তিনদিন জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, জেনে নিন কলকাতায় আজ কত পেট্রল-ডিজেলের দাম]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.