সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লিতে লালকেল্লার পাশে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের জায়গাতেই মিলল 9mm কার্তুজ। যে কার্তুজ সচরাচর ব্যবহৃত হয় সেনা বা পুলিশের কাজে। দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, ওই কার্তুজ তাদের কোনও কর্মীর নয়। তাহলে সেগুলি কোথা থেকে এল? উঠছে প্রশ্ন।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, দিল্লির বিস্ফোরণস্থলে মোট ৩টি কার্তুজ মিলেছে। এর মধ্যে দুটি অব্যবহৃত এবং একটি ব্যবহৃত খোল। কিন্তু কোনও আগ্নেয়াস্ত্র মেলেনি। পুলিশ সূত্রের খবর, ওই কার্তুজ তিনটি বিস্ফোরণস্থলেই পড়েছিল। কিন্তু কোনও অস্ত্র না মেলায় প্রশ্ন উঠছে ওই কার্তুজের উৎস নিয়ে। দিল্লি পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের কর্তব্যরত পুলিশকর্মীর কার্তুজ সেগুলি নয়। তাহলে সেগুলি এল কোথা থেকে? সেনায় ব্যবহৃত কার্তুজ কি জঙ্গিরাও ব্যবহার করছে?
গত সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে লালকেল্লার কাছে মেট্রোর সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৩ জনের। মেট্রো স্টেশনের পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হয় লালকেল্লাও। গত কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর শনিবার মেট্রো স্টেশনের ২ ও ৩ নম্বর গেট খোলা হয়েছে। তবে এক নম্বর গেট বন্ধই রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, শনিবারই এএসআই-এর তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে রবিবার থেকে আগের মতোই খুলে দেওয়া হবে লালকেল্লার দরজা।
এদিকে দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ দেশজুড়ে একাধিক জায়গায় তল্লাশি ও ধরপাকড় শুরু করেছে। তদন্তে নেমে শ্রীনগর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের স্ক্যানারে ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়। তদন্তে নেমে শুক্রবার বাংলা থেকে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ। একে একে সামনে আসছে দেশে ছড়িয়ে থাকা ‘হোয়াইট কলার টেরর’-এর ভয়াবহ তথ্য।
সর্বশেষ খবর
-
কড়ি ফেললেই আফগান হচ্ছে ভারতীয়! বার্থ সার্টিফিকেট তৈরির অভিযোগে গ্রেপ্তার মালবাজারে পুরকর্মী
-
লাইন এড়িয়ে আউটডোরের টিকিট কাটার টোপ! এসএসকেএমে জালচক্রের রমরমা, গ্রেপ্তার ৩
-
রক্তপাতহীন বই-হত্যা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধ্বংসযজ্ঞ!
-
প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতে ভরসা বাড়ছে, এইমসের আদলে বঙ্গে এবার আয়ুর্বেদ হাসপাতাল!
-
‘এমন সিদ্ধান্ত কেন নেন যাতে বিতর্ক হয়’, খাম প্রতীক জটিলতায় কমিশনকে প্রশ্ন হাই কোর্টের