সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির সাংবাদিক সৌম্যা বিশ্বনাথন খুনে পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে দিল্লির আদালত। তদন্তে পুলিশকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে হাতের ট্যাটু ও এক পুলিশ কর্মীর চুরি যাওয়া ওয়্যারলেস সেট। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজও দোষীদের খুঁজে পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এমনটাই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)।
কীভাবে খুলল খুনের জট? ২০০৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর খুন হয়েছিলেন সৌম্যা। কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে গভীর রাতে তাঁর উপরে চড়াও হয়েছিল দুষ্কৃতীরা। এর ঠিক মাস ছয়েক আগে ২০০৯ সালের ১৮ মার্চ খুন হয়েছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী জিগীষা ঘোষ। সেই খুনের (Murder) তদন্ত করতে গিয়েই সৌম্যার খুনের তদন্তের অব্যর্থ ‘ক্লু’ পাওয়া যায়।
[আরও পড়ুন: মামলা বেশি, লোকবল কম! চাপ সামলাতে রাজ্য পুলিশের কর্মী চাইছে CBI]
আসলে জিগীষা খুনের তদন্তে যে সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV footage) পাওয়া গিয়েছিল তাতে দেখা যায় অভিযুক্তদের একজনের হাতে ছিল ট্যাটু। মৃতার ডেবিট কার্ড দিয়ে শপিং করতে দেখা গিয়েছিল তাকে। অন্যজনের হাতে ছিল পুলিশ কর্মীর হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া এক ওয়্যারলেস সেট।
ওই ফুটেজ থেকেই সন্ধান মেলে অভিযুক্ত বলজিৎ মালিকের। তার সূত্রে অমিত শুক্লা ও রবি কাপুরকেও গ্রেপ্তার করা হয়। জানা যায়, বলজিতের হাতে ছিল ওই ট্যাটু। আর রবি ছিনিয়ে নিয়েছিল ওয়্যারলেস সেট। অভিযুক্তদের জেরা করতে গিয়েই উঠে আসে সৌম্যার খুনের বিষয়টিই। পরিষ্কার হয়ে যায় ওই খুনেই এই অভিযুক্তরাই ছিল। তবে তারা একা নয়, তাদের সঙ্গে ছিল আরও দুজন অজয় কুমার ও অজয় শেটি। বুধবার সকলকেই দোষী সাব্যস্ত করে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: স্ত্রীকে খুন করে আগুন লাগিয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা! বউবাজারে গ্রেপ্তার স্বামী]
সর্বশেষ খবর
-
রোগী ভর্তির পর ৭২ ঘণ্টা প্রাইভেট প্র্যাকটিস না, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের জন্য জারি কড়া নির্দেশিকা!
-
৭ দিনের ডেডলাইন! ধর্মতলার বিধান মার্কেট সরিয়ে জোকা লাইনের মেট্রোর কাজ শুরুর নির্দেশ হাই কোর্টের
-
এসএসসি চাকরি ‘বিক্রি’তে কোন পদের জন্য কত লক্ষ টাকা? পার্থ-অর্পিতার বিরুদ্ধে চার্জশিট ইডির
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো পিঙ্ক লাইনের ছাড়পত্র দিল কলকাতা পুরসভা, অভিনন্দন শুভেন্দুর
-
ইরানের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা! ‘তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করুন, না হলে…’, বিশ্বনেতাদের হুমকি আমেরিকার