নয়া নৌসেনা প্রধান পেল ভারত। ৩০ মে অর্থাৎ শনিবার অবসর নিয়েছেন দীনেশকুমার ত্রিপাঠী। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে দায়িত্ব নেন তিনি। তাঁর জায়গায় সেনাপ্রধান পদে দায়িত্ব নিলেন অ্যাডমিরাল কৃষ্ণ স্বামীনাথন। ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ওই পদে থাকবেন।
আরও পড়ুন:
অ্যাডমিরাল কৃষ্ণ স্বামীনাথন ১৯৮৭ সালে নৌবাহিনীতে কমিশন পান। তিনি মূলত যোগাযোগ ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিদ্যায় বিশেষজ্ঞ। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি ছাড়াও আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের স্বনামধন্য নাভাল ওয়ার কলেজের প্রাক্তন ছাত্র। লন্ডনের কিং’স কলেজ থেকে ডিফেন্স স্টাডিজে মাস্টার্স, মুম্বই ইউনিভার্সিটি থেকে এম ফিল করেছেন স্বামীনাথন।
কর্মজীবনে একাধিক বড় পদ সামলেছেন। ২০২৩ সালের ৬ অক্টোবর তিনি নৌবাহিনীর চিফ অফ পার্সনেল পদে নিযুক্ত হন। পরে তিনি ওয়েস্টার্ন নাভাল কম্যান্ডার পদে নিযুক্ত হন। কর্মজীবনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন স্বামীনাথন। মিসাইল ভেসেল আইএনএস বিদ্যুৎ, আইএনএস বিনাশ, মিসাইল করভেট আইএনএস কুলিশ, গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার আইএনএস মাইসোর এবং এয়ারক্র্যাফট কেরিয়ার আইএনএস বিক্রমাদিত্যর দায়িত্বে ছিলেন। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনিংয়েও প্রধান পর্যবেক্ষকের ভূমিকা পালন করেছেন স্বামীনাথন। এবার ওই অভিজ্ঞ কাঁধেই নৌসেনার দায়িত্ব।
উল্লেখ্য, বর্তমানে আমেরিকা ও ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। তার আঁচ এসে পড়েছে আরব সাগরে। পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে জলদস্যুদের আক্রমণ বাড়তে পারে সমুদ্রপথে। এহেন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালীতে দেশের জাহাজগুলির নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে ভারতীয় নৌসেনা। মধ্যপ্রাচ্যের এমন টালমাটাল পরিস্থিতির মাঝেই নৌসেনার দায়িত্বে আসছেন স্বামীনাথন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বুধে বালুরঘাটে সুকান্তের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন মুখ্যমন্ত্রী, মেনুতে থাকছে কোন বিশেষ মাছ?
-
আরও একটু মেসি হলে ক্ষতি কী! অবসরের পর লিওর নামে ‘সংগ্রহশালা’ উৎসর্গ বারাসতের সন্দীপের
-
নেপালে প্রলয়ের ফল, বিহারে ভেসে আসছে ‘অজানা মাছ’, বিপজ্জনক মৎস্যমুখে বারণ প্রশাসনের
-
বন্ধ হবে অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস? কড়া নোটিস দমকলের, ৪৮ ঘণ্টায় জবাব তলব
-
শুরু প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া, কলকাতা পুরসভায় ২০৯ আসনেই লড়বে ঋতব্রতর ‘আসল’ তৃণমূল