Airlines

জ্বালানি সংকটে বন্ধের মুখে পরিষেবা, বিমান সংস্থাগুলিকে ৫০০০ কোটি আর্থিক সাহায্য কেন্দ্রের!

বুধবার অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে জরুরি অবস্থায় বিমানসংস্থাগুলিকে আর্থিক সাহায্য়ের কথা জানানো হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২০:৩৪

options
link
জ্বালানি সংকটে বন্ধের মুখে পরিষেবা, বিমান সংস্থাগুলিকে ৫০০০ কোটি আর্থিক সাহায্য কেন্দ্রের!

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ায় বিপদে পড়েছে দেশের বিমানসংস্থাগুলি। এই অবস্থায় তাদের পাশে দাঁড়াতে ৫০০০ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বিবৃতি দিয়ে জরুরি অবস্থায় বিমানসংস্থাগুলিকে আর্থিক সাহায্য়ের কথা জানানো হয়েছে।

Advertisement

কেন্দ্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সাম্প্রতিক সময়ে বিমানের জ্বালানি ‘এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলে’র (এটিএফ) দাম লাগামাহীন ভাবে বেড়েছে। নেপথ্যে একাধিক রুটে আকাশসীমা বন্ধ থাকা, উড়ানের সংখ্যা কমা, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক উড়ানপথে। সব মিলিয়ে পরিষেবা ব্যাপক ভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেখানেই বিমানসংস্থাগুলিকে আপাৎকালীন (এমারজেন্সি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিম ৫.০) ৫০০০ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য অনুমোদন করা হয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অর্থাৎ কিনা বিমানসংস্থাগুলিকে ঋণের আকারে আর্থিক সাহায্য করা হবে। একটি বিমানসংস্থাকে সর্বোচ্চ ১,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে। ঋণগ্রহীতার সমপরিমাণ মূলধন বিনিয়োগের শর্তে অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। কেন্দ্রের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “এই ঋণগুলোর মেয়াদ ৭ বছর পর্যন্ত হবে, পরিবর্তী ২ বছরের মধ্যে দেনা মেটাতে হবে। জ্বালানি সংকট কমাতেই এই সাহায্য করা হবে।” বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডু কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান কঠিন সময়ে বিমান সংস্থাগুলিকে অতিরিক্ত ঋণ প্রদানের লক্ষ্যেই ইসিএলজিএস ৫.০ চালু করা হল।

Advertisement

প্রসঙ্গত, এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো, স্পাইসজেট প্রভৃতি সংস্থাগুলির সংগঠন এফআইএ কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল, সাম্প্রতিক সময়ে বিমানের জ্বালানি বা এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের (এটিএফ) দাম লাগামাহীন ভাবে বেড়েছে। সংগঠনের তরফে বলা হয়, উড়ান খরচ বাড়ানোর কারণে একাধিক রুট আর্থিকভাবে অলাভজনক হয়ে গিয়েছে। এভাবেই যদি জ্বালানির দাম বাড়তে থাকে, তবে ভবিষ্যতে বিমান সংস্থাগুলি পরিষেবা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে অশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। ফলশ্রুতিতে জেট ফুয়েলের দাম পৌঁছেছে প্রতি কিলোলিটারে ২ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত বিমানসংস্থাগুলির অনুরোধে রাখল কেন্দ্রীয় সরকার।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.