Smart Border Project

অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, পাকিস্তান-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘স্মার্ট বর্ডারে’র সিদ্ধান্ত শাহের

শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একথা জানান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৬:৫২

options
link
অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, পাকিস্তান-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘স্মার্ট বর্ডারে’র সিদ্ধান্ত শাহের
বিজেপি সাংসদ-বিধায়কদের পাঠ শাহের! ফাইল ছবি

অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া কেন্দ্র সরকার। নেওয়া হয়েছে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে আরও আঁটসাঁট নিরাপত্তার লক্ষ্যে এবার ‘স্মার্ট বর্ডার’ (Smart Border Project) চালুর ভাবনা মোদি সরকারের। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একথা জানান।

Advertisement

প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তে জওয়ান মোতায়েন কার্যত অসম্ভব। তাই শুধু জওয়ানদের নজরদারির পাশাপাশি ‘স্মার্ট বর্ডারে’র মাধ্যমে সীমান্তে থাকবে ড্রোন, হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং অন্যান্য মনিটরিং ডিভাইস। তাছাড়া পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে বিএসএফকে যোগাযোগ করতে ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন অমিত শাহ। শাহ বলেন, “আগামী এক বছরের মধ্যে স্মার্ট বর্ডারের কাজ শুরু হবে। তার ফলে সীমান্তগুলিকে দুর্ভেদ্য করে তোলা সম্ভব হবে। জনবিন্যাস পরিবর্তনের যে ব্যর্থ চেষ্টা চলছে, তাতেও লাগাম টানা সম্ভব হবে।” এদিন অমিত শাহ আরও বলেন, “ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের সরকার অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে কেন্দ্রের নীতির সঙ্গে একমত। প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে বহিষ্কারের বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

Advertisement

বলে রাখা ভালো, বাংলায় কাঁটাতার নিয়ে জমিজট ছিল। তবে শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বাংলার দায়িত্ব নেওয়ার পরই কাঁটাতার বসাতে বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপর গত বুধবারই কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনে বাংলায় ‘পুশব্যাক’ আইন কার্যকর করার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। তারপর প্রটোকল মেনে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) হাতে তুলে দেওয়া হবে। অনুপ্রবেশকারীদের এহেন ঘোষণার পরেই মতুয়াদের মধ্যে তৈরি হয়েছে দেশছাড়ার শঙ্কা! যদিও স্পষ্ট ভাষায় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সিএএ-র আওতায় কোনও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে আগত নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের বিতাড়িত করা হবে না। তাঁরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারতের নাগিরকত্ব পাবেন। এরপরই দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে দেখাও করেন শুভেন্দু। তারপরই শাহের ‘স্মার্ট বর্ডারে’র ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.