সিয়াচেন সীমান্তে এবার দেশীয় পোশাক পরবেন জওয়ানরা, জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি

সরকারের খরচ কমবে ৩০০ কোটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৮, ১৬:৪৭

options
link
সিয়াচেন সীমান্তে এবার দেশীয় পোশাক পরবেন জওয়ানরা, জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্প আর কোথাও সফল হোক বা না হোক,  এবার তা উপকারে আসতে চলেছে সিয়াচেনে কর্তব্যরত জওয়ানদের। কারণ, হাজার হাজার ফিট উঁচুতে যাঁরা দেশের জন্য বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পোশাক তৈরি করছে সেনা। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে এই পোশাক। ।যা অত্যন্ত ঠাণ্ডাতে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে জওয়ানদের।

Advertisement

[কমছে ৫টি এক্সপ্রেসের ভাড়া, জেনে নিন কোন কোন রুটে]

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন রণক্ষেত্রগুলির অন্যতম সিয়াচেন। বছরের বেশিরভাগ সময়ই বরফে ঢাকা এই হিমবাহের  তাপমাত্রা  থাকে শূন্যেরও নিচে। প্রাকৃতিক কারণে সিয়াচেন শত্রুপক্ষ তথা জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য । ভারত-পাক সীমান্তে তাই প্রাণ হাতে নিয়ে সবসময় প্রহরায় থাকেন বিএসএফ জওয়ানরা। লড়তে হয় শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে, লড়তে হয় ঠাণ্ডা এবং তুষারঝড়ের বিরুদ্ধেও। ঝুঁকি রয়েছে আরও, এত উচুতে পাহারা দিতে হয় যে যে কোনও সময় একটু পা হড়কালেই মৃত্যু নিশ্চিত। আর সেকারণেই হয়তো কোনও কঠিন কাজ করার আগে সিয়াচেন সীমান্তে জওয়ানদের লড়াইয়ের উদাহরণ টেনে আনেন দেশপ্রেমিকরা। কিন্তু সিয়াচেনের তীব্র ঠাণ্ডায় জওয়ানদের প্রাণ বাঁচানোর জন্য যে পোশাক প্রয়োজন হয়,তা এতদিন তৈরি করতে পারত না ভারতীয় সেনা । আনা হত বিদেশ থেকে। যার জন্য সরকারের খরচ পড়ত বার্ষিক প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। মূলত আমেরিকা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা থেকে আসত এই পোশাক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ট্রেন তিন ঘণ্টা লেটে যাত্রা বাতিল, টাকা ফেরাবে রেল]

কিন্তু এবার এই পোশাক সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি করতে পারবে ভারতীয় সেনা। ভারতীয় সেনার তরফে জানানো হয়েছে খুব শীঘ্রই এই বিশেষ  পোশাক তৈরির কাজ শুরু হবে । এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল পূর্ববর্তী সরকারের আমলে। দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রকল্পে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। এই প্রকল্পের অধীনে ওই ঠাণ্ডায় বেঁচে থাকার জন্য যে সব সামগ্রী প্রয়োজন হয় তার বেশিরভাগই তৈরি হবে ভারতে। বুট, অ্যাভালান্স ভিকটিম ডিকেক্টর, স্নো গগলস,  বুট আরও অনেক পোশাকই তৈরি হবে ভারতে। এর ফলে একদিকে যেমন সেনা খাতে খরচ প্রায় ৩০০ কোটি টাকা কমবে তেমনি আগের তুলনায় অনেকটাই স্বস্তি পাবেন জওয়ানরা। সেনার পরিসংখ্যান বলছে গত দশবছরে সিয়াচেনে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ গিয়েছে প্রায় ১৬৩ জন জওয়ানের। সেই সংখ্যাটাও এবার কমানো যাবে বলে আশাবাদী সেনা।

Advertisement

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.