সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়, তবু কেন প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন কেজরিওয়াল?

কী এমন দরকার পড়ল কেজরির?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০১৮, ১৩:৩২

options
link
সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়, তবু কেন প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন কেজরিওয়াল?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এমনিতে তাঁদের সম্পর্ক ভাল নয়। নানা সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে চাপানউতোর বজায় থেকেছে। তপ্ত বিবৃতিতে সরগরম হয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহল। সেই কেজরিওয়ালই এবার চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। কিন্তু কেন?

Advertisement

[  বিশুদ্ধ জল পেতে নয়া উদ্যোগ রেলের, ট্রেনের কামরায় বসছে ওয়াটার পিউরিফায়ার ]

Advertisement

গ্রীষ্মের দাবদাহ শুরু। এই সময় তীব্র জলকষ্টে ভোগে দিল্লি। রাজধানীর বাসিন্দাদের এ জিনিস অজানা নয়। তবে এবার বোধহয় পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হতে চলেছে। পড়শি রাজ্য হরিয়ানা থেকে প্রতি বছরই জল পায় দিল্লি। কিন্তু এবার সে সরবরাহ বন্ধ হতে চলেছে। প্রতি বছর গ্রীষ্মে প্রায় ১১৩৩ কিউসেক জল পায় রাজধানী। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম। খাট্টার সরকার জল দেওয়ায় রাশ টানতে চলেছে। গত ২২ বছরের ট্র্যাডিশন এবার বন্ধ হওয়ার মুখে। দিল্লির জল পাওয়ার অধিকারের প্রশ্ন গড়িয়েছে আদালতেও। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে ২১ মে পর্যন্ত পর্যাপ্ত জল সরবার করতে হবে হরিয়ানাকে। অর্থাৎ ততদিন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জল পাচ্ছে রাজধানী। কিন্তু তারপর? এই প্রশ্নই ভাবিয়ে তুলেছে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। কিন্তু আদালতের আদেশ অমান্য করে তাঁর কিছু করার নেই। এদিকে পড়শি রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায়। ফলে পারস্পরিক যে খুব সদ্ভাব আছে এমনটাও বলা যাবে না। কারণ গোটা দেশজুড়ে বিজেপি বিরোধিতার অন্যতম মুখ অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়াই একমাত্র উপায় বলে বিবেচনা করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে তিনি দিল্লির মানুষের আসন্ন ভোগান্তির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। তারপরই এই সমস্যার সমাধানে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে ভার প্রধানমন্ত্রীর উপরেই ছেড়েছেন। পাশাপাশি হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টারকেও তিনি এ বিষয়ে জানিয়ে রেখেছেন।

Advertisement

 ‘আমি তো আমার স্বামীকে হারালাম, এখন ক্ষতিপূরণে কী লাভ?’ ]

তবে রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, এই চিঠিতে একই সঙ্গে দুটো কাজ করে ফেললেন কেজরিওয়াল। প্রথমত, দিল্লির সমস্যা প্রধানমন্ত্রীর দরবারে তুলে রাখলেন। তাতে বল চলে গেল প্রধানমন্ত্রীর কোর্টে। যদি সমস্যার সামাধান হয় তো ভাল। নইলে তাঁর দ্বিতীয় উদ্দেশ্য পূরণ হবে। সেক্ষেত্রে দিল্লিবাসীকে তিনি বলতে পারবেন যে, প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা সত্ত্বেও এ বিষয়ে কোনও সুরাহা হয়নি। বিজেপির বিরুদ্ধে বলার অবকাশ পেয়ে যাবেন তিনি। তবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সরিয়ে রেখে আপাতত জল পাওয়াই যে মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উদ্দেশ্য তা বলাই বাহুল্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.