Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Kolkata High Court

রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গড়িমসি রাজ্যের! অসন্তোষ হাই কোর্টের

শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে দাবি করেন, আবেদনকারীরা পিটিশনে বেশ কিছু তথ্য গোপন করেছিলেন এবং দেওয়া বক্তব্যও নির্ভুল ছিল না।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ২৩:৫২

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ২৩:৫২

options
link
রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গড়িমসি রাজ্যের! অসন্তোষ হাই কোর্টের zoom
কলকাতা হাই কোর্ট। ফাইল ছবি
Advertisement

রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া নিয়ে রাজ্য সরকারের শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত এবং টালবাহানার পদ্ধতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। অহেতুক দেরি করে অনুমতি খারিজ করায় আদালতের সময় নষ্ট হচ্ছে এবং বাধ্য হয়েই সপ্তাহান্তে জরুরি শুনানিতে বসতে হচ্ছে বলে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। প্রশাসনের উদ্দেশ্যে আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়ে বার বার আদালতকে আপৎকালীন শুনানির পরিস্থিতিতে ফেলা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, “শুক্রবার নিয়মিতভাবে অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে, আর তার জেরেই শনিবার আদালতকে বসতে বাধ্য হতে হচ্ছে। দয়া করে এটা করবেন না। এর পেছনে কি কোনও পরোক্ষ উদ্দেশ্য রয়েছে? আমি (আদালত) আপনাদের (রাজ্য) স্পষ্টই বলছি।”

Advertisement

আদালত একটি নির্দিষ্ট আবেদন তুলে ধরে প্রশাসনের কাজের ধরন নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেয়। জানা যায়, গত ৩ আগস্ট একটি কর্মসূচির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ ৪ দিন ধরে প্রয়োজনীয় সব নথি হাতে থাকা সত্ত্বেও, ৭ আগস্ট রাত সাড়ে ৮ টায় সেই আবেদনের অনুমতি বাতিল করে প্রশাসন। সময়টা উল্লেখ করে বিচারপতির প্রশ্ন, “৩ আগস্টের আবেদনের উত্তর কেন ৭ আগস্ট রাতে দেওয়া হবে? আগে থেকে কেন স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি? যদি প্রশাসন সময়মতো সিদ্ধান্ত নিত, তবে আবেদনকারীদের শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি আদালতের দ্বারস্থ হতে হত না।”

অন্যদিকে, শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে দাবি করেন, আবেদনকারীরা পিটিশনে বেশ কিছু তথ্য গোপন করেছিলেন এবং দেওয়া বক্তব্যও নির্ভুল ছিল না। তাছাড়া, কাজের দিনে প্রায় ২ হাজার মানুষ নিয়ে এ ধরনের জনসভা বা মিছিল করা বাস্তবে সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।তবে অ্যাডভোকেট জেনারেলের এই যুক্তিতে সন্তুষ্ট হয়নি হাইকোর্ট। আদালতের বার্তা, রাজনৈতিক বা যেকোনও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের আর্জি সামলাতে গিয়ে এমন প্রশাসনিক অনীহা একেবারেই কাম্য নয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.