Qutb Minar

কুতুব মিনারে পুজোর অনুমতি দেওয়া যায় না, দিল্লি আদালতে জানাল ASI

'স্মৃতিসৌধের গঠন বদল করা সম্ভব নয়', জানিয়ে দিল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২২, ১৫:৪৫

options
link
কুতুব মিনারে পুজোর অনুমতি দেওয়া যায় না, দিল্লি আদালতে জানাল ASI

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিতর্কের মাঝেই কুতুব মিনার (Qutub Minar) নিয়ে দিল্লির আদালতে হলফনামা দিল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI)। সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, “সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভে পুজোপাঠ শুরুর অনুমতি দেওয়া যায় না। কারণ যবে থেকে এই স্মৃতিস্তম্ভটি সংরক্ষিত হচ্ছে, সেখানে পুজোপাঠ হত না। ফলে কোনও সংরক্ষিত এলাকার গঠন বদলানো সম্ভব নয়।”

Advertisement

এএসআইয়ের প্রাক্তন রিজিওনাল ডিরেক্টর ধরমবীর শর্মা দাবি করেছিলেন, কুতুবুদ্দিন আইবক নন, সূর্যের গতিপথ পর্যালোচনার জন্য কুতুব মিনার তৈরি করেছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য। তার পর থেকেই সেখানে হিন্দু ও জৈন দেবদেবীর মূর্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে মামলা দায়ের হয়েছিল দিল্লি সাকেত আদালতে। এদিন সেই মামলায় হলফনামা জমা করল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI)।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বৃষ্টি মাথায় ফের স্বাস্থ্যভবনের সামনে বিক্ষোভে নার্সিং চাকরিপ্রার্থীরা, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি]

হলফনামায় আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া জানায়, “১৯১৪ সাল থেকে কুতুব মিনারকে সংরক্ষণ করছি আমরা। এখন এই স্মৃতিসৌধের গঠন বদল করা সম্ভব নয়। তাই সেখানে পুজো করার যে দাবি তোলা হচ্ছে, সেটাও মানা সম্ভব নয়।” হিন্দুত্ববাদীরা কুতুব মিনার চত্বরে পুজার্চনা করার দাবি তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। তাঁদের সেই আরজিকে মান্যতা দেওয়া সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে এএসআই। তাদের কথায়, “কুতুব মিনার তৈরি করতে পুরনো মন্দির ভাঙার যে অভিযোগ রয়েছে তা ঐতিহাসিক বিষয়। এটা এখন সংরক্ষিত স্মৃতিসৌধ। তাই এখানে কারওর ধর্মীয় উপাচারের আবেদন মানা যায় না।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’-এর অন্তর্গত কুতুব মিনার। ইটের তৈরি মিনারের মধ্যে এটিই বিশ্বের দীর্ঘতম। দৈর্ঘ্য ৭২.৫ মিটার। এখানে রয়েছে ৩৭৯টি ঘোরানো সিঁড়ি। ইতিহাস বলছে, কুতুবুদ্দিন আইবক এই মিনার তৈরি করান। যদিও সম্প্রতি হিন্দুত্ববাদীরা দাবি করেছেন, কুতুব মিনার চত্বরে ২৭টি মন্দির ছিল। তার মধ্যে অন্যতম জৈন তীর্থঙ্কর ভগবান ঋষভ দেবের উপাসনাস্থল-সহ ভগবান বিষ্ণু, গণেশ, শিব, সূর্য, হনুমান, দেবী গৌরীর মন্দির। সম্প্রতি পুরাতত্ত্ব বিভাগের এক প্রাক্তন আধিকারিক ধরমবীর শর্মাও দাবি করেন, কুতুব মিনার নির্মাণ করেছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য। এর পরই বিতর্কের জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। 

[আরও পড়ুন: ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান শেখ হাসিনার, ‘নিরপেক্ষ’ ঢাকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাশিয়া]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন