Mohan Bhagwat

‘ধর্মে অজ্ঞতাই অত্যাচারের কারণ’, ধর্মগুরুদের সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়ার বার্তা RSS প্রধানের

একজন ধার্মিকের আচরণই ধর্মকে রক্ষা করে, বার্তা ভাগবতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০২৪, ২১:১৫

options
link
‘ধর্মে অজ্ঞতাই অত্যাচারের কারণ’, ধর্মগুরুদের সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়ার বার্তা RSS প্রধানের
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী।’ ধর্ম সংক্রান্ত ক্ষেত্রে এই অজ্ঞতা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এই ইস্যুতেই এবার মুখ খুললেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি জানালেন, ধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞতা ও ভুল ব্যাখ্যার কারণেই বিশ্বজুড়ে ধর্মের নামে অত্যাচার চলছে। এই ধরনের ঘটনা রুখতে ধর্মগুরুদের সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়ার আবেদন জানালেন ভাগবত।

Advertisement

মহানুভব আশ্রমের শতবর্ষ উপলক্ষে অন্ধ্রপ্রদেশের অমরাবতীতে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। সেখানেই তিনি বলেন, “ধর্ম বিষয়ে মানুষের আংশিক জ্ঞান ও ভুল জানার জেরে বিশ্বজুড়ে অত্যাচার চলছে। ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা করা মানুষের প্রয়োজন। ধর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই বিষয়ে সঠিক শিক্ষা থাকা প্রয়োজন। যার জন্য ধর্মকে বুঝতে হবে।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “যদি ধর্মকে সঠিকভাবে না জানা যায় তাহলে তা মানুষকে অধর্মের পথে নিয়ে যায়।” একথা স্মরণ করিয়ে ভাগবত বলেন, “এই সমস্যা থেকে বের হতে গেলে ধর্মগুরুদের উচিত ধর্মকে গভীরভাবে বোঝা ও তার সঠিক ব্যাখ্যা করা। একজন ধার্মিকের আচরণই সেই ধর্মকে রক্ষা করে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, এর আগে গত শুক্রবার রামমন্দির নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছিলেন মোহন ভাগবত। সংঘপ্রধানের বলেন, “রাম মন্দির ছিল হিন্দুদের আস্থার বিষয়। হিন্দুরা চাইছিলেন মন্দির নির্মাণ হোক। রাম মন্দির নির্মাণটা তাই জরুরি ছিল। কিন্তু শুধু ঘৃণা আর শত্রুতার বশবর্তী হয়ে অন্য কোনও জায়গা নিয়ে এই ধরনের ইস্যু তৈরির চেষ্টা করলে সেটাকে সমর্থন করা যাবে না।”

Advertisement

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে আরএসএস প্রধানের মুখে এমন বার্তা চমকপ্রদ মনে হলেও ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, অতীতের কট্টরপন্থা থেকে বেরিয়ে কিচুটা নরম পথে হাঁটতে চাইছে আরএসএস। তাই তাঁর বার্তা, “উগ্রতা, ধর্মীয় আগ্রাসন, পেশিশক্তির প্রদর্শন, অন্য ধর্মের অপমান, এসব আমাদের সংস্কৃতির অংশ নয়।” আসলে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতে যখন সংখ্যালঘু নিপীড়ন চরমে, তখন সংঘপ্রধানের এই বার্তা খানিকটা কৌশলী অবস্থানও হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন