‘সেনার বিরুদ্ধে অপমানকর মন্তব্যকারী নেতাদের মুণ্ডচ্ছেদ করা হোক’

কেন এমন দাবি এই মন্ত্রীর? ভিডিওটিতে দেখে নিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৭, ০৯:৪৯

options
link
‘সেনার বিরুদ্ধে অপমানকর মন্তব্যকারী নেতাদের মুণ্ডচ্ছেদ করা হোক’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যে সমস্ত রাজনীতিবিদরা ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে অপমানকর ও কুরুচিকর মন্তব্য করছেন, তাঁদের মুণ্ডচ্ছেদ করে দেওয়া উচিত। এমনই মন্তব্য করলেন রাজস্থানের রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজকুমার রিনওয়া। রবিবার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন তিনি।

Advertisement

কিছুদিন আগেই সেনার বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী ও সপা নেতা আজম খান। তিনি বলেছিলেন, ‘একদিকে সীমান্তে লড়াই চলছে, অন্যদিকে মহিলারা সেনা জওয়ানদের মারছেন। নিশ্চয়ই কিছু ঘটেছে। সশস্ত্র মহিলারা এসে ভারতীয় সেনার যৌনাঙ্গ কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। এর অর্থ হল তাদের জওয়ানদের শরীরের ওই অঙ্গটি নিয়ে অসুবিধা রয়েছে। এর মাধ্যমে কড়া বার্তাই দিতে চেয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনা মিথ্যের পর্দা সরিয়ে ভারতের আসল রূপ সকলের সামনে তুলে ধরেছে। গোটা দেশের এজন্য লজ্জা হওয়া উচিত।’ জুন মাসে সেনার বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিলেন কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দীক্ষিতও। সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াতকে ‘রাস্তার গুণ্ডা’ আখ্যা দেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[সর্বনাশ! ফাঁস হল ১২ কোটি Jio গ্রাহকের আধার নম্বর!]

Advertisement

এমন মন্তব্যের বিরুদ্ধেই রবিবার ক্ষোভে ফেটে পড়েন রাজকুমার। এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজেপি নেতা বলেন, ‘ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে যারা অপমানজনক ও কুরুচিকর মন্তব্য করে, তাদের পাঁচ মিনিটের মধ্যে মুণ্ডচ্ছেদ করার আইন থাকা উচিত। শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস হোক বা ৫০ ডিগ্রি, সেনা জওয়ানরা হামেশা অতন্দ্র প্রহরীর মতো আমাদের পাহারা দেন। এমন জওয়ানদের বিরুদ্ধে যারা মন্তব্য করছে, তাদের সঙ্গে সঙ্গে সাজা দেওয়ার আইন সংবিধানে উচিত।’

 

অবশ্য সপা নেতা আজম খানের মন্তব্যের পর বিতর্কের ঝড় উঠেছিল। একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এমনকী, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক নেতা আজম খানের জিভ কেটে আনার জন্য ৫০ লক্ষ টাকা পুরস্কারের কথাও ঘোষণা করেছিলেন। সমালোচনার মুখে পড়ে শেষমেশ প্রাক্তন মন্ত্রী সাফাই দিয়েছিলেন, তাঁর মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এবং স্বভাবসিদ্ধভাবেই বিতর্কের যাবতীয় দায় সংবাদমাধ্যমের উপর চাপিয়েছিলেন। দাবি করেছিলেন, তাঁর বক্তব্য রং চড়িয়ে পেশ করেছে সংবাদমাধ্যমগুলি।

[গরু চরানো নিয়ে অশান্তি রাজস্থানের অভয়ারণ্যে, আক্রান্ত নিরাপত্তারক্ষীরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.