কথায় আছে, ‘অপমানিত নারীর ক্রোধের মতো ভয়ংকর আর কিছু নেই।’ সেটাই যেন ফের একবার প্রমাণ হয়ে গেল। প্রেমিককে চেয়ারে বেঁধে জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক তরুণীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুতে। অভিযোগ, প্রেমের সম্পর্কে থাকা সত্ত্বেও ধরে যুবক ওই তরুণীকে উপেক্ষা করতেন। তাই রাগে প্রেমিককে শেষ করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন তরুণী।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, বছর সাতাশের প্রেরণা এবং কিরণ দু’জনেই একটি দোকানে কর্মরত ছিলেন। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে সম্প্রতি কিরণ প্রেরণাকে উপেক্ষা করছিলেন বলে অভিযোগ। শুধু তা-ই নয়, কিরণ আদৌ তাঁকে বিয়ে করতেন কি না তা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিলে বলে অভিযোগ করেছেন প্রেরণা। এরপরই তরুণী ষড়যন্ত্রের বীজ বুনতে শুরু করেন।
গত মঙ্গলবার দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর অঞ্জনাপুরা এলাকার বাড়িতে প্রেরণা ওই যুবককে আমন্ত্রণ করেন। ওই বাড়িতেই মা এবং দাদার সঙ্গে বাস করতেন প্রেরণা। কিন্তু ওই দিন বাড়িতে কেউ ছিলেন না। কিরণ আসতেই দু’জনে কিছুক্ষণ গল্প করেন। এক পর্যায়ে তরুণী কিরণকে বলেন, “চলো আজ আমি বিদেশী কায়দায় তোমাকে প্রেম নিবেদন করব।” এরপরই যুবককে চোখ বেঁধে একটি চেয়ারে বসিয়ে দেন প্রেরণা। শুধু তা-ই নয়, কিরণকে তার দিয়ে চেয়ারের সঙ্গেও বেঁধে দেন তিনি। তারপরই তরুণী ভিডিও রেকর্ড করতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর প্রেরণা কিরণকে কেরসিন দিয়ে ভিজিয়ে দেন। তারপরই অগ্নিসংযোগ করে দেন। মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন কিরণ। কিন্তু নির্বিকার প্রেরণা তা প্রত্যক্ষ করেন এবং ভিডিও রেকর্ড চালিয়ে যান। অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় যুবকের।
পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ডিএল নাগেশ বলেন, “ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। জেরায় নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। কিরণের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। কিন্তু প্রেরণার মনে হয়েছিল, কিরণ তাঁকে উপেক্ষা করছিলেন। সেই রাগেই তরুণী তাঁকে খুন করেন।”
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের