ভোজশালা মন্দিরের বিতর্কিত স্থানকে সরস্বতীর মন্দির বলে জানিয়ে দিল মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট। সেই সঙ্গেই মুসলিমদের ওখানে প্রার্থনা করার যে নির্দেশ ২০০৩ সালে দিয়েছিল এএসআই, তাও বাতিল করা হল। যদিও ভোজশালার নিয়ন্ত্রণ রইল এএসআইয়ের হাতেই, তবুও সেখানে প্রার্থনার অধিকার পেলেন হিন্দুরা। পাশাপাশি মুসলিম পক্ষের মামলাকারীদের অন্যত্র উপাসনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেজন্য মধ্যপ্রদেশ প্রশাসনের কাছে আবেদন করতে বলা হয়েছে তাদের।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, লন্ডনের জাদুঘরে রাখা সরস্বতীর প্রতিমা নিয়ে এসে ভোজশালায় স্থাপন করতে চান হিন্দুপক্ষের আবেদনকারীরা। প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশের ধার শহরের ভোজশালায় রয়েছে হাজার বছরের পুরানো একটি বিতর্কিত সৌধ। মুসলিমদের দাবি ওটি আসলে মসজিদ। অন্যদিকে হিন্দুদের দাবি ওই সৌধ রাজা ভোজের তৈরি সরস্বতী মন্দির। সরকারি নিয়ম মেনে সপ্তাহে দু’দিন দুই ধর্মের মানুষই এখানে পালন করে ধর্মীয় আচার। বাকি দিনগুলোতে এখানে প্রবেশের অনুমতি থাকলেও পুজো বা নমাজ নিষিদ্ধ। এই নিয়মে বদল চেয়ে ২০২২ সালে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী হরিশংকর জৈন মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টকে জানান, ২০০৩ সালের একটি নোটিসের জেরে মুসলিমদের ভোজশালায় নমাজের অধিকার দেওয়া হয়েছিল ঠিকই কিন্তু এটি আসলে হিন্দু মন্দির। তাই এখানে শুধুমাত্র হিন্দুদের উপাসনার অনুমতি দেওয়া হোক।
এরপর ওই স্থানে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই)-কে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সদ্য পেশ হয়েছে সেই সমীক্ষার রিপোর্ট। সেখানে একাধিক ঐতিহাসিক নমুনার পাশাপাশি পাওয়া যায় ৯৪ টি মূর্তি। অবশেষে এদিন এই রায় দিল উচ্চ আদালত। উল্লেখ্য, ওই রিপোর্টকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে দাবি করেছিল মুসলিম পক্ষ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধের রক্তচক্ষু-রাজনীতিতে বারবার প্রভাবিত বিশ্বকাপ! তবু জিতে গিয়েছে ফুটবল
-
পালিয়েও বাঁচলেন না, বাড়ি ফিরতেই তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা মহিলাদের! ভাইরাল ভিডিও
-
এবার সিনেপর্দায় জুবিনের স্মৃতিচারণ, জীবনীচিত্রতে অভিনয়ে টলিপাড়ার কোন কোন বাঙালি?
-
অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ? বিভ্রান্তি দূর করলেন শমীক ভট্টাচার্য
-
তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরাল জনগণ, ডিমথেরাপি! আক্রান্তকে উদ্ধার বিজেপির