তরুণীকে জোর করে চুম্বন, মসজিদে ২০,০০০ টাকা দিয়েই ছাড় যুবকের!

টাকা দিয়েই মুক্তি শ্লীলতাহানির দায় থেকে!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০১৭, ১১:০৩

options
link
তরুণীকে জোর করে চুম্বন, মসজিদে ২০,০০০ টাকা দিয়েই ছাড় যুবকের!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘নো মিনস নো’-সিনেমার মধ্যে দিয়ে এ বার্তা ছড়িয়েছে দেশে। মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চনের সেই সংলাপ যেন সাম্প্রতিক সময়ে মহিলাদের মুখের কথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহিলাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোনও কাজ নয়, এমনকী তিনি বিবাহিত স্ত্রী হলেও নয়। কিন্তু বাস্তব কী বলছে? বাস্তব বলছে, কোনও মহিলাকে জোর করে চুম্বনের খেসারত দশ হাজার টাকা। অন্তত বিহারের একটি পঞ্চায়েতের নিদান এরকমই।

Advertisement

ঘটনা বিহারের বেগুসরাই জেলার। পাটনা থেকে প্রায় ১২৫ কিমি দূরে বখরি সাব ডিভিশনের মাখাচক পঞ্চায়েত। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, সেখানেই বসেছিল এই বিচারের আসর। কাঠগড়ায় ছিল মহম্মদ ইরশাদ নামে এক বছর বাইশের যুবক। পেশায় মজদুর। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন বছর কুড়ির এক তরুণী। অভিযোগ, ওই যুবক জোর করে তাঁকে চুম্বন করেছেন। তাঁর ইচ্ছের বিরুদ্ধেই। শ্লীলতাহানির এই অভিযোগের বিচারে জরিমানা ধার্য হল ১০,০০০ টাকা। দু-বার চুম্বনের জন্য ২০,০০০ টাকা দিয়েই ছাড় পেয়ে গেলেন ওই যুবক।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ কোটি টাকার মদ গিয়েছে ইঁদুরের পেটে, দাবি পুলিশের ]

Advertisement

কিন্তু শ্লীলতাহানির অপরাধে কি টাকা দিয়ে ছাড় পাওয়া যায়? উঠছে সে প্রশ্নই। জানা যাচ্ছে, খোদ অভিযোগকারিনী এই বিচারে খুশি হতে পারেননি। তাঁর আশঙ্কা, যেহেতু তাঁর শ্লীলতাহানির কথা জানাজানি হয়ে গিয়েছে, তাই কেউ আর তাঁকে বিয়ে করবে না। তাঁর তাই দাবি ছিল, ওই যুবকই তাঁকে বিয়ে করুন। যদিও তাঁর সে আশা পূরণ হয়নি।

প্রকাশ্যে মদ্যপান নিষিদ্ধ গোয়ায়, আটক ৬ ]

কিন্তু এই বিচার নিয়ে পুলিশ প্রশাসন কেন কোনও পদক্ষেপ নিল না? বখরি থানার স্টেশন হাউস অফিসার জানাচ্ছেন, তিনি জানতে পেরেছেন যে মসজিদে ওই যুবককে ২০,০০০ টাকা দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু পুরো ঘটনায় পুলিশের কাছে কেউ কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি। ফলে পুলিশের পক্ষেও পদক্ষেপ করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরও জানাচ্ছেন যে, গত একবছর ধরে ওই যুবক যুবতীর বিশেষ সম্পর্ক ছিল। তাঁরা একে অন্যকে ভালবাসতেন বলেও দাবি ওই পুলিশ অফিসারের। কিন্তু ওই যুবকের বিরুদ্ধে আগেও একবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। তাহলে কেন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল না? পুলিশের দাবি, এতদিন ধরে পলাতক ছিল ওই যুবক। তাহলে এখনই বা তাঁকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না সে প্রশ্নেরও উত্তর নেই। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে খানিকটা ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

ছিল অটো হল স্করপিও, তাক লাগানো কাজের উপহার চার চাকা  ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.