Bihar

প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধতে সন্তানকে অপহরণ! শ্বশুরবাড়িতে ২৫ লক্ষ মুক্তিপণ চেয়ে গ্রেপ্তার মহিলা

টাকা না দিলে ছেলেকে খুনেরও হুমকি দেয় অভিযুক্তরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৫, ১২:৪৮

options
link
প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধতে সন্তানকে অপহরণ! শ্বশুরবাড়িতে ২৫ লক্ষ মুক্তিপণ চেয়ে গ্রেপ্তার মহিলা
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধতে নিজের সন্তানকেই অপহরণ মহিলার। নিজের শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে ২৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি! এই ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্ত মহিলা ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে বিহারের ছাপরা জেলায়। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই মহিলার ববিতা দেবী ও তাঁর প্রেমিক নীতীশ কুমারকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

পুলিশের তরফে জানা যাচ্ছে, নীতীশের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল ববিতার। তাঁরা চেয়েছিলেন আলাদাভাবে বাড়ি তৈরি করতে। সেই টাকা জোগাড় করতে প্রেমিকের সঙ্গে মিলে সন্তানকে অপহরণের ছক কষেন ববিতা। পরিকল্পনা মাফিক ১৩ বছরের ছেলে আদিত্যকে অপহরণ করে প্রেমিকের বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। এরপর নীতীশকে দিয়েই শ্বশুরবাড়িতে ফোন করিয়ে ২৫ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। এমনকী প্রেমিকার পরামর্শে, টাকা না দিলে ছেলেকে খুন করে দেওয়ারও হুমকি দেয় নীতীশ।

Advertisement

বাড়ির ছেলে অপহৃত এবং ২৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণের চাওয়ার ঘটনায় পুলিশের দ্বারস্থ হন আদিত্যর কাকা। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমে বাড়ির লোকজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তখনই অপহৃত আদিত্যর মায়ের অসংলগ্ন কথাবার্তায় সন্দেহ হয় তদন্তকারীদের। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। পুলিশি জেরার মুখে ভেঙে পড়ে অপহরণের কথা স্বীকার করে নেন ববিতা। তিনি পুলিশকে জানান, প্রেমিক নীতীশের সঙ্গে মিলেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি। এরপর নীতীশের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় আদিত্যকে। ওই নাবালককে পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

এই ঘটনায় পুলিশ সুপার কুমার আশিস জানিয়েছেন, পুলিশি জেরায় অভিযুক্ত ববিতা ও তাঁর প্রেমিক নীতীশ নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী একাধিক ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে পুলিশের তরফে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.