সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফেসবুকে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেতা। তারপরেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেইনি সংশ্লিষ্ট সোস্যাল মিডিয়া সাইটটি। ব্যবসায়িক মুনাফার কথা ভেবেই এমন পদক্ষেপ করেছে ফেসবু। শুক্রবার এমনই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে এনেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। আর সেই প্রতিবেদনকে হাতিয়ার করেই ফের একবার বিজেপিকে তুলোধোনা করেছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।
রাহুল নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে লেখেন, “ভারতের ফেরসবুক, টুইটার ও হোয়াটসঅ্যাপকে নিয়ন্ত্রণ করে বিজেপি ও আরএসএস। তাঁরাই মিথ্যা খবর প্রচার করে নির্বাচনকে প্রভাব করে। শেষপর্যন্ত মার্কিন মিডিয়া আসল সত্য উদঘাটন করল।” কী বলেছে মার্কিন মিডিয়া? ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে তেলেঙ্গানার বিজেপি বিধায়ক টি রাজা বিদ্বেষমূলক মন্তব্য ফেসবুকে চড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। অথচ ফেসবুকে বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে কেন তেমন পদক্ষেপ করল না ফেসবুক? তার ব্যাখাও ওই প্রতিবেদনে দেওয়া হয়েছে।
BJP & RSS control Facebook & Whatsapp in India.
AdvertisementThey spread fake news and hatred through it and use it to influence the electorate.
Finally, the American media has come out with the truth about Facebook. pic.twitter.com/Y29uCQjSRP
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) August 16, 2020
[আরও পড়ুন : মোদি কেন কোয়ারেন্টাইনে যাবেন না? নিত্যগোপাল করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় প্রশ্ন শিব সেনার]
মার্কিন মিডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে ফেসবুকের পাবলিক পলিসি বিষয়ক আধিকারিক আঁখি দাস নাকি বলেছিলেন, কেন্দ্রের শাসকদলের নেতাদের বিরুদ্ধে ‘বিদ্বেষ রোধ আইন’ প্রয়োগ করলে ভারতের বাজারে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে সংস্থা। সে কারণেই কর্মীদের তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, টি রাজার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছ, “টি রাজার বক্তব্য ছিল হিংসা ও উসকানিতে ভরা। তবু ফেসবুক ব্যবস্থা নেয়নি। এটা এক ধরনের কেন্দ্রের শাসকদলের হয়ে পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ।”
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে টি রাজা সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি নিজে ওই বক্তব্য ফেসবুকে দেননি। অন্যরা তা পোস্ট করেছেন। ঘটনা প্রসঙ্গে তাঁর সাফাই, “আমার সঙ্গে কথা না বলেই আমার অফিশিয়াল পেজ ২০১৮ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তার পর আমার নাম করে অনেক অ্যাকাউন্ট ও পেজ খোলা হয়েছে। এতে আর আমার কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই।” এদিকে এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে ফের বিজেপিকে তুলোধোনা করেছে রাহুল গান্ধী। তাঁর পালটা জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। টুইটারে তিনি লেখেন, “যাঁর দলের মানুষকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা নেই, তাঁরাই গোটা পৃথিবীকে বিজেপি নিয়ন্ত্রণ করে বলে অভিযোগ করে।”
[আরও পড়ুন : বিহারে ভোটের আগে ফের শিবির বদল পাসওয়ানের? এনডিএ শিবিরে অশান্তি চরমে]
সর্বশেষ খবর
-
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জ-টিয়ার গ্যাস! ঝাড়খণ্ডে পুলিশের ‘বর্বরতা’য় ফুঁসছেন প্রকাশ
-
আমজনতার চেয়ে গড় আয়ু কম ডাক্তারদের! কিন্তু কেন? সামনে এল চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
-
জোড়াফুল প্রতীক কার হাতে? চলতি সপ্তাহেই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ মমতা-ঋতব্রতর
-
বিশ্বকাপে ফের দেখা যাবে আফগান রূপকথা, দক্ষিণ আফ্রিকার টিকিট পেলেন রশিদ খানরা
-
দার্জিলিংয়ে জোরবাংলো ট্রাফিক পয়েন্টের কাছে ধসে উধাও অর্ধেক রাস্তা! বিপর্যস্ত জনজীবন