বাংলা, অসম, পুদুচেরির পাশাপাশি দেশের ৫ রাজ্যের উপনির্বাচনেও গেরুয়া সুনামি। ৭ বিধানসভা আসনের মধ্যে ৪টিতেই জয় পেয়েছে বিজেপি। মহারাষ্ট্রের বারামতি আসনে জয়ী হয়েছেন প্রয়াত অজিত পওয়ারের স্ত্রী এনডিএ-র শরিকদল এনসিপি নেত্রী সুনেত্রা পওয়ার। অন্যদিকে, কর্নাটকের দুটি আসনে জয় পেয়েছে কংগ্রেস।
আরও পড়ুন:
দেশের ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পাশাপাশি সোমবার গুজরাট, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরার মোট ৭ আসনে ছিল উপনির্বাচন। এর মধ্যে গুজরাটের উমরেথ আসনে কংগ্রেস প্রার্থী ভ্রূগুরাজসিং চৌহানকে ৩০,৭৪৩ ভোটে হারিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী হর্ষদভাই গোবিন্দভাই পারমার। মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুতে নির্বাচন হয়েছিল বারামতিতে। এই কেন্দ্রে অজিতের স্ত্রী তথা এনসিপি নেত্রী সুনেত্রা জয়ী হয়েছেন প্রায় ২লক্ষ ১৯ হাজার ভোটে। এখানে সুনেত্রার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে কংগ্রেস ও এনসিপি (শরদ) প্রার্থী দেয়নি। মহারাষ্ট্রের রাহুরিতেও এক লক্ষের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অক্ষয় শিবাজিরাও। বিজেপির জয় এসেছে নাগাল্যান্ডের কোরিডাং ও ত্রিপুরার ধর্মনগর বিধানসভাতেও।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উপনির্বাচনেও যে ফল এসেছে তা আনন্দের। এনডিএ-র নেতা সুনেত্রা পাওয়ার বিরাট জয় পেয়েছেন। আমি সব রাজ্যের জনতাকে ধন্যবাদ জানাই তাঁদের সমর্থনের জন্য।’
তবে দেশজুড়ে গেরুয়া ঝড়ের মধ্যে নিজেদের গড় ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে কংগ্রেস। কর্নাটকের বাগালকোট ও দাবাংগেড় বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছে হাত শিবির। বাগালকোটে বিজেপির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ২২৩৩২ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন কংগ্রেসের উমেশউল্লাপ্পা মেতি। অন্যদিকে, দাবাংগেড় বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে ৫৭০৮ ভোটে বিজেপিকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী সমর্থ সামানুর মল্লিকার্জুন। উপনির্বাচনে বিজেপির এই বিরাট জয়ের পর এখানকার জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
সোমবার বিজেপির জয়ের সাফল্য তুলে ধরে দিল্লিতে দলীয় অফিসে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নীতীন নবীন সভাপতি হওয়ার পর এটাই প্রথম বিধানসভা নির্বাচন। ওনার মার্গ দর্শন এই নির্বাচনে আমাদের বিরাট সাফল্য এনে দিয়েছে। উপনির্বাচনেও যে ফল এসেছে তা আনন্দের। এনডিএ-র নেতা সুনেত্রা পাওয়ার বিরাট জয় পেয়েছেন। আমি সব রাজ্যের জনতাকে ধন্যবাদ জানাই তাঁদের সমর্থনের জন্য।” পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গণতন্ত্রে জয় পরাজয় এক স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু ৫ রাজ্যের জনতা গোটা বিশ্বকে দেখিয়েছে এটা আমাদের ভারত। যে ভারত গণতন্ত্রের জননী। গণতন্ত্র শুধু তন্ত্র নয়, আমাদের রক্তে মিশে থাকা সংস্কার। আজ শুধু ভারতের গণতন্ত্র জেতেনি। দেশের সংবিধান জিতেছে। আমাদের সাংবিধানিক সংস্থা জিতেছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নখ হবে দুধের মতো সাদা, পার্লারে সময় নষ্ট না করে বাড়িতেই করুন ‘মিল্কি ম্যানিকিওর’
-
‘পানামা ম্যাচের ফল দিয়ে বিচার করলে হবে না’, ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নামার আগে সতর্ক আনোয়ার আলি
-
দক্ষিণ আফ্রিকায় পরপর বন্দুকবাজের হামলা, এলোপাথাড়ি গুলিতে অন্তত মৃত ২৭
-
‘জমানা বদলেছে, সাধু সন্তদের ভয় দেখানো যাবে না’, নেতাজি ইন্ডোরে গীতাপাঠ করলেন শুভেন্দু
-
‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’, মন কি বাতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক মনে করালেন মোদি