সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। তবে গেরুয়া শিবিরের অনেকেই মনে করছেন, তাঁর মন্তব্য দলীয় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার পরিবর্তে দলের অন্দরে ফাটল ধরাচ্ছে বেশি। তা নিয়ে দলের অন্দরে মনোমালিন্যও রয়েছে। সূত্রের খবর, তাই বাধ্য হয়ে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আর সে কারণেই জেপি নাড্ডার তলবে দিল্লি পাড়ি দিলেন দিলীপ ঘোষ।
তবে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য তলব নাকি অন্য কোনও কারণ, সে বিষয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কিছুই বলেননি। তবে দিল্লিতে বৈঠকের আগে তিনি বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি কোনও ক্লাব নয়। এটা রাজনৈতিক দল। কে সভাপতি, কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন তা দল ঠিক করবে। এসব নাম নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছে সে বিষয়ে দলের কোনও মাথাব্যথা নেই। দল এক একজনকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়েছে। আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করছি। প্রত্যেক পদক্ষেপের জন্য আমরা দলের কাছে উত্তর দিতে বাধ্য।”
[আরও পড়ুন: গায়ের রং কালো! গৃহবধূকে পিটিয়ে ‘খুন’ করল শ্বশুরবাড়ির লোকজন]
এদিকে, বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় এখনও উত্তপ্ত খানাকুল। শনিবার একই জায়গায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আয়োজন করে তৃণমূল ও বিজেপি। সেখানে পতাকা উত্তোলনের সময়ে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। তা গড়ায় হাতাহাতিতে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, সংঘর্ষ চলাকালীন জেলা পরিষদের বিজেপি সদস্য সুদাম প্রামাণিকের উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে কয়েকজন। তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় সুদামকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এদিন এই প্রসঙ্গ তুলে তৃণমূলকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় খোঁচা দিতে ছাড়েননি বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “পুলিশের সামনে বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। নির্বাচনের সময় তৃণমূল সব কিছু করতে পারে।” যদিও খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন খানাকুল দু’নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি অসিত সিংহরায়।
[আরও পড়ুন: করোনা রোগীর সৎকারে খরচ ১১৫০ টাকা! শ্মশান কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তিতে সমালোচনার ঝড়]
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!