BJP MP Tejaswi Surya Cockroach Janata Party

বিজেপির পদ থেকে ‘বিতাড়িত’, কয়েকদিন পরেই ‘ককরোচ’দের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পদ্ম সাংসদ

ককরোচ আন্দোলনের পর বিজেপির সংগঠন ঢেলে সাজানো হয়েছে। জেন জি'র গুরুত্ব মাথায় রেখে একাধিক রদবদল করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৮:০৭

options
link
বিজেপির পদ থেকে ‘বিতাড়িত’, কয়েকদিন পরেই ‘ককরোচ’দের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পদ্ম সাংসদ
ককরোচ আন্দোলনের পর বিজেপির সংগঠন ঢেলে সাজানো হয়েছে।

দিনকয়েক আগেই ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার জাতীয় সভাপতি পদ থেকে বিতাড়িত হয়েছেন। তার পরই ককরোচ জনতা পার্টির ‘সুখ্যাতি’ শোনা গেল তেজস্বী সূর্যর মুখে। একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ককরোচ’রা তো যুবসমাজকে সরব হওয়ার জন্য একটা মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানানো উচিত। তবে একইসঙ্গে ‘আরশোলা’দের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তাও দিয়েছেন তেজস্বী।

Advertisement

বিজেপির তরুণতম সাংসদদের মধ্যে অন্যতম তেজস্বী। তবে ককরোচ আন্দোলনের পর বিজেপির সংগঠন ঢেলে সাজানো হয়েছে। জেন জি’র গুরুত্ব মাথায় রেখে একাধিক রদবদল করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত। সেই পরিবর্তনের কোপ পড়েছে তেজস্বীর উপর। ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার জাতীয় সভাপতির পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই পদে আনা হয়েছে ‘রাষ্ট্রবাদী’ গুজরাটি হেমাঙ্গ যোশীকে। ৩৩ বছর বয়সি হেমাঙ্গ ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে গুজরাটে বিজেপির কনিষ্ঠতম প্রার্থী ছিলেন।

Advertisement

পদ যাওয়ার পর আবেগঘন বার্তায় তেজস্বী বলেন, “১৪ বছর ধরে যুব মোর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। জাতীয় সভাপতি হব সেটা ভাবতেও পারিনি।” পদ হারালেও যুব মোর্চার সঙ্গে আজীবন যুক্ত থাকবেন, বার্তা তেজস্বীর। তারপরই কর্নাটকের এক অনুষ্ঠানে তেজস্বী বলেন, “একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কিছু ইস্যু নিয়ে মুখ খোলার মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছে সিজেপি। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলির কাজ নিয়ে চিন্তিত মানুষকে একজোট করেছে। যারা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এসেছিলেন তাঁরা অনেকেই ‘ককরোচ’দের সমর্থন করেন না। তবে যুবসমাজকে মুখ খোলার মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছে সিজেপি। এই পদক্ষেপ গণতন্ত্রে সবসময়ে স্বাগত।”

Advertisement

তবে ‘ককরোচ’কে সাবধান করে তেজস্বী বলছেন, যদি বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে চায় তাহলে নিজেদের আত্মসমীক্ষা করতে হবে সিজেপিকে। কোন দল ক্ষমতায় আছে সেই দেখে যদি ‘ককরোচ’রা সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে তাদের আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। বিজেপি সাংসদের কথায়, ‘ককরোচ’রা যদি মহারাষ্ট্রের স্কুল নিয়ে কথা বলে তাহলে পাঞ্জাব, কর্নাটকের মতো রাজ্যগুলি নিয়েও সরব হওয়া উচিত। তবে সিজেপির উত্থান হলেও দেশের যুবসমাজ বিজেপির প্রতি আস্থা হারায়নি বলেই মত তেজস্বীর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.