Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Barasat University

বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএমসিপির ‘জঙ্গিপনা’, পড়ুয়াদের হস্টেল ছাড়ার নির্দেশ উপাচার্যের

এবিভিপির বারাসত নগরের সম্পাদক প্রীতম পাঠকের দাবি, “বয়েজ হস্টেলে ঢুকতেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীরা আমাদের উপর আক্রমণ করেছে। ব্লেড নিয়ে হামলা চালিয়েছে।”

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ২১:৪৭

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ২১:৪৭

options
link
বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএমসিপির ‘জঙ্গিপনা’, পড়ুয়াদের হস্টেল ছাড়ার নির্দেশ উপাচার্যের zoom
বারাসত স্টেট ইউনিভার্সিটিতে এবিভিপি-টিএমসিপি সংঘর্ষ, ফাইল ছবি
Advertisement

ছাত্র সংঘর্ষের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বয়েজ হস্টেল খালি করার নির্দেশ ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটি অর্থাৎ বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে হস্টেল ছাড়তে হবে আবাসিক পড়ুয়াদের। উপাচার্য দেবব্রত মিত্রের নির্দেশে বুধবার এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন রেজিস্ট্রার সুবীর বিশ্বাস। হস্টেলে থাকা প্রায় ৪০ জন স্নাতকোত্তর পড়ুয়া আচমকা ঘরছাড়া হওয়ায় পড়াশোনা নিয়েও অনিশ্চয়তায় তৈরি হয়েছে। এনিয়ে উপাচার্য দেবব্রত মিত্র জানিয়েছেন, “ছাত্রছাত্রী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার জন্য দায়িত্ব নিয়েই বয়েজ হস্টেল খালি করার নির্দেশ দিয়েছি। নিরাপত্তারক্ষী থাকা সত্ত্বেও কীভাবে বহিরাগতরা ক্যাম্পাসের ভিতরে ঢুকল, সেটাও প্রশ্ন। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ তদন্ত করবে।”

এবিভিপির বারাসত নগরের সম্পাদক প্রীতম পাঠকের দাবি, “বয়েজ হস্টেলে ঢুকতেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীরা আমাদের উপর আক্রমণ করেছে। ব্লেড নিয়ে হামলা চালিয়েছে।”

প্রসঙ্গত, রাখি বন্ধন অনুষ্ঠান ঘিরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও এবিভিপির মধ্যে কয়েক দিন ধরে চলা চাপানউতোর সোমবার রাতে সংঘর্ষে গড়ায়। দু’পক্ষের কয়েকজন আহত হন। বয়েজ হস্টেলে ভাঙচুর ও ব্লেড দিয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের চার ছাত্র নেতাকে গ্রেপ্তার করে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। বুধবার বারাসত আদালতে তাঁদের জামিন হয়। গ্রেপ্তারি নিয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি প্রিয়াংকা অধিকারী বলেন, “যারা মারধর করল, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অথচ আক্রান্ত তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতাদের গ্রেপ্তার করল।”

Advertisement

এবিভিপির বারাসত নগরের সম্পাদক প্রীতম পাঠকের দাবি, “বয়েজ হস্টেলে ঢুকতেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীরা আমাদের উপর আক্রমণ করেছে। ব্লেড নিয়ে হামলা চালিয়েছে।” সংঘর্ষের পর প্রশ্নের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। প্রায় ৪১ জন নিরাপত্তারক্ষী থাকা সত্ত্বেও বহিরাগতরা কীভাবে ক্যাম্পাস পেরিয়ে হস্টেল পর্যন্ত পৌঁছল, এখন সেটাই খতিয়ে দেখবে কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.