সদ্য ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ এবং শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা কিছুটা চাপ তৈরি করেছিল বিজেপির উপর। সেই চাপ থেকে বেরোতে মোক্ষম অস্ত্র সম্ভবত খুঁজে পেয়েছে গেরুয়া শিবির। সেই অস্ত্রের নাম বন্দে মাতরম। জেন জি বিক্ষোভ থেকে নজর ঘোরাতে এবং হিন্দুত্ব ও জাতীয়তাবাদের চেনা পিচে খেলা টেনে আনতে বন্দে মাতরম নিয়ে দেশজুড়ে প্রচার করবে বিজেপি। তাঁদের নিশানায় সেই কংগ্রেস।
আরও পড়ুন:
সদ্য কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির তরফে প্রস্তাব পাশ করানো হয়েছে, দলীয় অনুষ্ঠানে তাঁরা বন্দে মাতরমের দু’টি স্তবকই গাইবে। গানটি সব স্তবক গাওয়া হবে না। কংগ্রেসের বক্তব্য, ১৯৩৭ সালে কলকাতায় কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, সুভাষচন্দ্র বসু, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল-সহ একাধিক শীর্ষনেতা বন্দে মাতরমের প্রথম দু’টি স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই ঐতিহ্যই বজায় রাখা হবে।
বিজেপির সাফ কথা, ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে নিজেদের সাম্প্রদায়িক এজেন্ডার কার্যকর করছে কংগ্রেস। আসলে সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে মাথা নুইয়ে ফেলেছে হাত শিবির। কংগ্রেসের পালটা নিজেরা ১০ পয়েন্টের আরেকটি প্রস্তাব পাশ করিয়েছে বিজেপি। পদ্মশিবির তাদের প্রস্তাবে জানিয়েছে, মহাত্মা গান্ধীর বক্তব্য ছিল, সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ভীষণ ভাবে জাতীয়বাদী ভাবনায় উদ্বুদ্ধ স্লোগান বন্দে মাতরম। সেই বক্তব্য এবার দেশজুড়ে পৌঁছে দেওয়া হবে। বিজেপি বলছে, জাতীয় গানের ঐতিহ্য এবং সম্মান বজায় রাখার জন্য দেশজুড়ে লড়াই করা হবে। বিজেপির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জাতীয় সঙ্গীতের ঐতিহ্যকে ‘সমসাময়িক ভোট-ব্যাংকের রাজনীতির সঙ্গে এক করে দেখা যায় না।
গেরুয়া শিবির বলছে, স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরমে’র সম্মান, মর্যাদা, ঐতিহ্য বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বিজেপি। তাছাড়া কংগ্রেসের মনে রাখা উচিত, তাঁদের দলের অন্দরে পাশ করানো কোনও প্রস্তাব কোনওভাবেই দেশের সংবিধানের ঊর্ধ্বে হতে পারে না। সংবিধান অনুযায়ী, বন্দে মাতরম সঠিকভাবে না গাওয়াটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মন্দারমণির উত্তাল সমুদ্রে বড় অঘটন, স্নানে নেমে মৃত ১, খোঁজ নেই আরও এক পর্যটকের
-
বিমানবন্দরের ধাঁচে গড়ে উঠবে হাওড়া স্টেশন, থাকবে আধুনিক সুবিধা! পরিদর্শনে মন্ত্রী
-
আরাবুলের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা! কপাল জোরে প্রাণরক্ষা ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতার
-
ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পতাকাধারী জাহাজ! ২৪ নাবিকের খোঁজে তল্লাশি
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট