সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির হিংসায় উসকানি দেওয়ার জন্য দিল্লি হাই কোর্টের চোখে তিনি অন্যতম অভিযুক্ত। ‘গোলি মারো’ স্লোগানের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে কেন হিংসায় উসকানি দেওয়ার এফআইআর দায়ের হয়নি, এই প্রশ্ন করেছিলেন বিচারপতি এস মুরলীধর। দিল্লি পুলিশকে ভর্ৎসনাও করেছিলেন বিচারপতি। এবার সেই মন্তব্য নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন উঠতেই মেজাজ হারালেন কেন্দ্রীয় অর্থ ও বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। সাংবাদিককে মিথ্যেবাদী আখ্যা দিয়ে নিজের জ্ঞান বাড়ানোর পরামর্শ দিলেন বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর।
রবিবার চণ্ডীগড়ে শিল্প ও উদ্যোগপতিদের সঙ্গে একটি বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন অনুরাগ। দিল্লির নির্বাচনী প্রচারে তাঁর ‘দেশ কে গদ্দারো কো, গোলি মারো সালো কো’ স্লোগানের স্মৃতি এখনও টাটকা। নির্বাচনে ভরাডুবির পর অমিত শাহ থেকে শুরু করে মনোজ তিওয়ারি, প্রত্যেকেই হারের ময়নাতদন্ত করতে বসে নেতাদের উসকানিমূলক মন্তব্যের নিন্দা করেন। দিল্লির হিংসাতেও অনুরাগের মন্তব্য ঘৃতাহুতির কাজ করেছিল বলে অভিযোগ।
[আরও পড়ুন: শুধরোলেন না কপিল! বিজেপি নেতার মিছিলে ফের ‘গোলি মারো’ স্লোগান]
সেই মন্তব্য নিয়েই এদিন প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। তাতেই মেজাজ হারান অনুরাগ। প্রথমে সাংবাদিককে মিথ্যাবাদী বলেন, তারপর নিজের জ্ঞান বাড়ানোর পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে বলেন, যে প্রসঙ্গে এই সাংবাদিক বৈঠক তাই নিয়েই যেন প্রশ্ন করা হয়। অন্য কিছু নিয়ে তিনি উত্তর দিতে নারাজ। সাংবাদিককে পালটা অনুরাগের কটাক্ষ, ‘ভাই, তোমার যদি অর্থনীতি নিয়ে কোনও প্রশ্ন থাকে তাহলে জিজ্ঞেস করো। মিডিয়ার উচিত পুরো বিষয়টা জেনে প্রশ্ন করা। অর্ধেক জ্ঞান অনেক ক্ষতিকারক।’
সাংবাদিককে মিথ্যাবাদী বলে তিনি আরও বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন। এই ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করব না। এরপরই অনুরাগের মন্তব্য, ‘এই বিষয়ে কী ব্যাখ্যা চান? হিংসায় যারা উসকানি দিয়েছে আর যারা জড়িত তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।’
সর্বশেষ খবর
-
শহরের স্কুলে নতুন করে অসুস্থ ৭, হস্টেল ছুটির সিদ্ধান্ত, পরীক্ষা করা হচ্ছে পানীয় জল
-
ক্ষুদিরামের আত্মবলিদানই সুভাষচন্দ্রের অনুপ্রেরণা, গায়ে কাঁটা দেওয়া অগ্নিযুগের গল্প
-
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের ক্যাপ্টেন, প্রাক্তন নাইটের হাত ধরে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলবে রোনাল্ডোর দেশ?
-
পড়ুয়াদের কর্মমুখী করে তুলতে স্কটিশ চার্চ কলেজের অভিনব উদ্যোগ, পাশে শিল্পজগৎ
-
স্বাধীনতা দিবস বয়কটের ডাক উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তিন জঙ্গি সংগঠনের! নজরদারি চিকেনস নেকে