Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৪ অক্টোবর ২০২৬
Bardhaman Durga Puja

নিরঞ্জনের পর আজও ওঠে ঝড়, মন্দির লন্ডভন্ড করেন স্বয়ং দেবী! জামবনের সুদিন ফেরে শ্যামারূপার কৃপায়

Durga Puja: বজ্রপাতের পর থেকেই বদলে গিয়েছিল গ্রামের চেনা ছবি। সুদিন ফেরাতে জঙ্গলের মধ্যেই দেবী শ্যামারূপাকে প্রতিষ্ঠা করা হয়। শুরু হয় পুজো।

সনাতন গড়াই
সনাতন গড়াই

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ১৮:১৭

link
সনাতন গড়াই
সনাতন গড়াই

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ১৮:১৭

options
link
নিরঞ্জনের পর আজও ওঠে ঝড়, মন্দির লন্ডভন্ড করেন স্বয়ং দেবী! জামবনের সুদিন ফেরে শ্যামারূপার কৃপায় zoom
মন্দিরে চলছে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

বজ্রপাতের পর থেকেই বদলে গিয়েছিল গ্রামের চেনা ছবি। জঙ্গলের বুকজুড়ে নেমে আসে আতঙ্ক। একের পর এক জন্তু-জানোয়ারের আক্রমণ, ডাকাতদের তাণ্ডব। ভয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে শুরু করেন গ্রামবাসীরা। অনেকে আশ্রয় নেন বিদবিহারের জামের বাগানে। সেই থেকেই গ্রামের নাম জামবন। লোকশ্রুতি আছে, এরপরই দেখা দেয় তীব্র খরা। বৃষ্টির অভাবে মাঠের পর মাঠ ফসল নষ্ট হতে থাকে। চরম অভাবের মুখে পড়েন গ্রামের মানুষ। সেই সময়েই গ্রামের বিনোদবিহারী রায় স্বপ্নাদেশ পান। সেই থেকে জঙ্গলের মধ্যেই দেবী শ্যামারূপাকে প্রতিষ্ঠা করা হয়। শুরু হয় মাটির হাতি এবং ছবি দিয়ে দেবীর আরাধনা। স্থানীয় বিশ্বাস, দেবীর পুজো (Durga Puja) শুরু হওয়ার পরেই ধীরে ধীরে গ্রামে ফিরে আসে সুদিন। বৃষ্টি নামে, মাঠে ফের ফলন হয় এবং মানুষের অভাবও দূর হতে শুরু করে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, আজও নিরঞ্জনের পর ঝড় ওঠে। সেই ঝোড়ো হাওয়া প্রবেশ করে মন্দিরের ভিতরে। মানুষের বিশ্বাস, স্বয়ং মা দুর্গা সেই সময় হাওয়ার সঙ্গে মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করেন।

প্রথম থেকেই দেবীকে ঘিরে তৈরি হয় এক গভীর বিশ্বাস। বিপদে-আপদে গ্রামের রক্ষাকর্ত্রী তিনিই। সময়ের সঙ্গে বদলেছে পুজোর রীতি, বেড়েছে পুজোর পরিসর। গ্রামের মাঝেই তৈরি হয়েছে মন্দির। তবে প্রাচীন রীতি এখনও পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। খোলা আকাশের নিচেও সারা বছর দেবীর পুজো হয়। পুজোর চারদিন শুধু মন্দিরের ভিতরে চলে আরাধনা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এক রহস্যময় লোকবিশ্বাস। স্থানীয়দের দাবি, নিরঞ্জনের পর আচমকাই ঝড় ওঠে। সেই ঝড় লন্ডভন্ড করে মন্দিরের ভিতরের জিনিসপত্র। স্বয়ং দেবী সেই হাওয়ার সঙ্গে মন্দিরে প্রবেশ করেন বলে আস্থা রয়েছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা জামবনের এই শ্যামারূপা পুজো তাই শুধু একটি দুর্গোৎসব নয়। স্থানীয় বাসিন্দা সুদেব রায় বলেন, “আমাদের পূর্বপুরুষদের পুজো। গ্রামের বিপদ দূর করেছেন। অভাব দূর হয়েছে। তাই শ্যামারূপা গ্রামের মা। গ্রাম থেকে যখন কেউ কাজে যান বা অন্য কোনও শুভ কাজে যান তখন মাকে স্মরণ করে বের হন।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.