দুর্নীতি রুখতে গোয়েন্দাদের ব়্যাডারে বিএসএফ কর্তাদের বিলাসী জীবন

বাংলাদেশ ও পাক সীমান্তে মোতায়েন অফিসারদের উপর বাড়তি নজরদারি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯, ১৫:৪৫

options
link
দুর্নীতি রুখতে গোয়েন্দাদের ব়্যাডারে বিএসএফ কর্তাদের বিলাসী জীবন

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিএসএফ অফিসারদের একাংশের বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। এবার তাঁদের উপর নজর রাখবেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দুনীর্তি দমনের লক্ষ্যে এক নয়া অভিযানে নামছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে যে সমস্ত বিএসএফ অফিসাররা পাহারা দেন, তাঁদের মধ্যে কেউ অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবন কাটালে পড়তে হবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের জেরার মুখে।

Advertisement

[চিন ও পাকিস্তানকে ঠেকাতে এবার একযোগে আসরে ভারতীয় রেল ও সেনা]

সেনা অবশ্য এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে। দেশের বৃহত্তম সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যেই দুর্নীতি দমনের লক্ষ্যে গোপনে নজরদারি চলে। তার উপর ফের কেন্দ্রের এই হস্তক্ষেপ খুব একটা ভাল চোখে দেখছেন না বিএসএফ অফিসারদের একাংশ। তবে সূত্রের খবর, বিএসএফের অভ্যন্তরীণ নজরদারি সত্ত্বেও ২০১৭-তে বেশ কয়েকজন দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারের খোঁজ পেয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এই দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারদের একাংশ ভারত-বাংলাদেশ বা ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে নজরদারি চালান। সেই ক্ষমতা ও পদাধিকারকে কাজে লাগিয়ে চোরাকারবারীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই অফিসাররা কোটি কোটি টাকা লুটে নেন। এমন অভিযোগও রয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছে।

Advertisement

সম্প্রতি এমনই এক সিনিয়র বিএসএফ কমান্ডিং অফিসারকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। ধৃত ওই অফিসার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পোস্টেড ছিলেন। তাঁর সঙ্গে পাচারকারীদের গোপন আঁতাঁত ছিল। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তল্লাশিতে ওই অফিসারের কাছ থেকে একলপ্তে নগদ ৪৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তাই এবার দেশের বৃহত্তম সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অন্দর থেকে দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলতে বড়সড় অভিযানে নামছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। নজর থাকছে সেই সব বিএসএফ অফিসারদের উপর, যাঁরা নিয়মিত নামী ক্লাবে যাতায়াত করেন। যাঁদের জীবনযাত্রা আর পাঁচটা ন্যায়পরায়ণ অফিসারদের মতো নয়। সেই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন ব্যয় করছেন যে সব অফিসাররা, তাঁদের ব্যাংক ডিটেল। এমন বেশ কয়েকজন অফিসার রয়েছেন সিবিআইয়ের নজরে, যাঁরা প্রায়ই বড় বড় ক্লাবে পার্টি দেন। কারা ওই সব অফিসারদের বাড়িতে যাতায়াত করছেন, তাঁদের উদ্দেশ্য আদৌ সৎ কি না, সেই সবের উপরেও নজর থাকছে। তবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা একবাক্যে একথাও স্বীকার করছেন, যে প্রায় আড়াই লক্ষ বাহিনী সমৃদ্ধ বাহিনীর মধ্যে এমন দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারের সংখ্যা হাতেগোনা।

Advertisement

[অনন্তনাগে সেনার বড় সাফল্য, গুলির লড়াইয়ে খতম ৩ জঙ্গি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.