কমল স্বচ্ছ ভারতের বরাদ্দ

কমল স্বচ্ছ ভারতের বরাদ্দ, প্রশ্নের মুখে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পও

নমামি গঙ্গে প্রকল্পের বরাদ্দেরও উল্লেখ নেই বাজেট ভাষণে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২০, ১৭:৫৯

options
link
কমল স্বচ্ছ ভারতের বরাদ্দ,  প্রশ্নের মুখে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পও

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের কমল স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পের বরাদ্দ। ধোঁয়াশা সামাজিক প্রকল্প ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’-এর বরাদ্দ ঘিরেও। এমনকী গ্রামীন উন্নয়নে মনরেগা প্রকল্প কিংবা PMAY প্রকল্পের বরাদ্দ কত, সে নিয়েও এদিনের বাজেটের ভাষণে কিছুই বলেননি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। আর এ নিয়ে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা। 

Advertisement

২০১৯-২০২০ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ছিল ১২,৬৪৪ কোটি। বেশ কিছুটা কমিয়ে ২০২০-২০২১ সালের বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে ১২,৩০০ কোটি টাকা। যা দেখে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিরোধীরা। কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকে স্বচ্ছ ভারত অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু বাজেটে ক্রমশ স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে। ইতিপূর্বে ২০১৮-২০১৯ সালে এই প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ১৬,৯৭৮ কোটি টাকা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বাজেট ২০২০: দেশের পাঁচ ঐতিহাসিক স্থান ঘিরে সংগ্রহশালা তৈরির সিদ্ধান্ত, ব্রাত্যই বাংলা]

প্রশ্নের মুখে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পও। ২০২০-২০২১ সালের বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ২৮ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। তবে তা শুধুমাত্র ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পের জন্য এই অর্থ ধার্য করা হয়নি। বরং দেশজুড়ে নারী কল্যাণে এই পরিমাণ অর্থ ধার্য করা হয়েছে। ফলে বাজেটের ভাষণে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পের সুখ্যাতি করা হলেও তাতে কত টাকা ধার্য করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পষ্ট করা হয়নি নমামি গঙ্গে প্রকল্পের বরাদ্দও। সব মিলিয়ে বেশ অস্পষ্ট এবার বাজেটের বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ।

Advertisement

[আরও পড়ুন : দিল্লিতে জমেছে কুর্সি দখলের লড়াই! অধিকাংশ AAP প্রার্থীর বিরুদ্ধেই রয়েছে ফৌজদারি মামলা] 

অর্থনৈতিক মহলের ধারনা, নির্মলা সীতারমণের বাজেট বিনিয়োগকারীদের আশা পূরণে ব্যর্থ। বাজেটে হাউসিং সেক্টর, বা আবাসন শিল্পে বড় কোনও বিনিয়োগ নেই। কর কমানোর কথা ঘোষণা করলেও শেষবেলায় অধিকাংশ করছাড় বাতিল করলেন তিনি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল জিএসটির করকাঠামোতে বড় কোনও পরিবর্তন করেননি তিনি। শুধুমাত্র জিএসটির সরলীকরণের কথা বলেই কাজ সেরেছেন। উলটে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের মতো শিল্পে ভরতুকি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। কয়েকটি ক্ষেত্রে যুক্ত হচ্ছে অতিরিক্ত সেসও। তাছাড়া, নিম্ন ও মধ্যবিত্তর হাতে সরাসরি অর্থ বিনিয়োগের কোনও রাস্তা বাতলে দিতে পারেননি অর্থনীতি। তাতেও বাজার চাহিদা কমার আশঙ্কায় ভুগছে।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন