Burger King

বার্গার কিং আউটলেটে গুলির লড়াই! রুদ্ধশ্বাস সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

ভিডিওয় দেখা গিয়েছে কীভাবে গ্রাহকরা অসহায়ের মতো ছোটাছুটি করছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৪, ২৩:১০

options
link
বার্গার কিং আউটলেটে গুলির লড়াই! রুদ্ধশ্বাস সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত মঙ্গলবার দিল্লির বার্গার কিং আউটলেটে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। এবার সামনে এল ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ। হাড়হিম সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে কীভাবে সেদিন সন্ধ্যায় ওই আউটলেটের ভিতরে গুলির লড়াই চলেছিল। আর সেই মুহূর্তে কীভাবে সেখান থেকে ছুটে বেরতে চাইছিলেন গ্রাহক ও কর্মীরা তাও ধরা পড়েছে ভিডিওয়।

Advertisement

পশ্চিম দিল্লির রাজৌরি গার্ডেনের জনবহুল এলাকায় অবস্থিত এই বার্গার কিংয়ের আউটলেট। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভিড়ে ঠাসা এই এলাকায় হঠাৎ শুরু হয় গুলির লড়াই। ঘটনার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। ভয়ে এদিক ওদিক ছুটতে শুরু করেন সাধারণ মানুষ। প্রায় ১৫ রাউন্ড গুলি চলে ওই রেস্তরাঁর ভেতর। গুলি লাগে এক ব্যক্তির গায়ে। সঙ্গে সঙ্গে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

[আরও পড়ুন: ভোটে ধাক্কার পরেই ‘অন্নদাতা’দের কল্যাণ মোদির! ১৪ শস্যের MSP বাড়াল কেন্দ্র]

ভিডিওয় দেখা গিয়েছে দুই হিটম্যানের একজন ভিতরে ঢুকেই আমান জুন নামের যুবকটির দিকে বন্দুক তাক করছে। তিনি একটি মহিলার সঙ্গে বসেছিলেন। একজন গুলি চালানো শুরু করতেই আশপাশে থাকা গ্রাহক ও কর্মীরা দ্রুতবেগে ছোটাছুটি করতে থাকেন প্রাণ বাঁচাতে। এর পর দুই আততায়ী পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পর পর গুলি চালিয়ে ঝাঁজরা করে দেন ওই যুবককে। পুলিশের ধারণা, মৃত যুবকের সঙ্গিনীও এই হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্তদের একজন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে রেস্তরাঁর সিসিটিভি ফুটেজ। গোটা ঘটনার তদন্তে একটি টিম গঠন করেছে দিল্লি পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, ওই রহস্যময়ী-সহ তিন অভিযুক্তকেই শিগগিরি গ্রেপ্তার করবেন তদন্তকারীরা।

[আরও পড়ুন: বিচারকের জন্য ট্রেনের আসন ছাড়তে হল সাধারণ যাত্রীকে! হতবাক সকলেই]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.