নিঠারি কাণ্ডে ফাঁসির সাজা কোহলি, পান্ধেরের

সাজা শোলান সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৭, ০৮:৫৩

options
link
নিঠারি কাণ্ডে ফাঁসির সাজা কোহলি, পান্ধেরের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  নিঠারি হত্যাকাণ্ডে মূল দুই অভিযুক্ত সুরিন্দর কোহলি ও মনিন্দর সিং পান্ধেরকে ফাঁসির সাজা শোনাল গাজিয়াবাদের বিশেষ সিবিআই আদালত। দুই অপরাধীর মধ্যে কোহলির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৭ নম্বর মামলায় এই রায় শোনান বিচারক পবন তিওয়ারি। ১৪ বছরের পিঙ্কি সরকারকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে  মামলা দায়ের করা হয়। মোট ষোলোটি খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছিল দু’জনের বিরুদ্ধে। ধর্ষণ, খুন ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে মূলত মামলাগুলি দায়ের করা হয়। এদের দুজনের বিরুদ্ধেই ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২, ৩৬৪, ৩৭৬, ২০১ ও ১২০(বি) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

Advertisement

[আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কাবুলে মৃত বহু]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আগামি ১২ সেপ্টেম্বর মেরঠের জেলে ফাঁসির প্রক্রিয়া কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। তবে ফাঁসির চূড়ান্ত তারিখের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে উত্তরপ্রদেশ সরকার। সোমবারই এই নির্দেশ রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৪২ বছরের সুরিন্দর কোহলির বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলায় ফাঁসির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গাজিয়াবাদের একটি সংশোধনাগারে আপাতত বন্দি সুরিন্দর।

Advertisement

[বিরল রোগে আক্রান্ত ভাই-বোন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নির্বিকার প্রশাসন]

এর আগে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছে সুরিন্দর কোহলির ফাঁসি দাবি নাকচের জন্য আর্জি জানানো হয়। তবে রাজনাথ সিং ফাঁসির নির্দেশ বহাল রাখার আবেদন করেন। তবে এখনই সুরিন্দরকে ফাঁসি দেওয়া হবে কিনা সেই নিয়ে দ্বিধা বিভক্ত প্রশাসন। তার বিরুদ্ধে এখনও এগারোটি খুনের মামলা রয়েছে। এছাড়া সিবিআই ষোলেটি মামলায় চার্জশিট পেশ করেছে।

[এবার আত্মরক্ষায় মহিলাদের হাতে উঠবে ‘আগ্নেয়াস্ত্র’]

২০০৫-০৬ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের নয়ডার কাছে নিঠারি এলাকায় ২০টি শিশুর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটে। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায় রিম্পা নামের বছর ১৪-র এক কিশোরী। পরে গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। দেখা যায় শিশুদের অপহরণ করে, তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে, খুন করার পর একটি নালার পাশে পুঁতে রেখে দিত কোহলি। এই কাজে তাকে সহায়তা করত তার মালিক মনিন্দর সিংহ পান্ধেরও।

[‘সরকার-বিরোধী নই’, মুচলেকা দিলে তবেই মিলবে হস্টেলে থাকার ছাড়পত্র]

বেশ কিছু দিন পরে ওই এলাকার আশপাশ থেকে নিখোঁজ হওয়া শিশুদের কঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় মনিন্দর সিং পান্ধের ও তার পরিচারক সুরিন্দরকে। ২০০৯ সালে এলাহাবাদ হাই কোর্ট অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। পরে পান্ধেরের ফাঁসির সাজা মকুব হলেও সুপ্রিম কোর্ট কোহলির সাজা বহাল রাখে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.