সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডায়াবেটিক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পরীক্ষা চলাকালীন স্ন্যাক্স-ব্রেক রাখার কথা ভাবছে দ্য সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসসি)। ১০ ও ১২ ক্লাসের বোর্ড পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই স্ন্যাক্স-ব্রেক চালু করার কথা ভাবছে বোর্ড। দিল্লি ডায়াবেটিস রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারপার্সন অশোক জিংগন কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের নিয়ে একটি সমীক্ষা করেন। দেখা গিয়েছে, এরমধ্যে চারটি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে টাইপ-১ ডায়াবেটিক পড়ুয়াদের জন্য পরীক্ষার মাঝে স্ন্যাক্স ব্রেকের ব্যবস্থা রয়েছে। বিষয়টি যুক্তিযুক্ত বলেই মনে করেন অশোক জিংগন।
যাদের টাইপ-১ ডায়াবেটিক রয়েছে, প্রতিদিন তাদের কম করে দু’বার ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। তাদের খুব বেশি সময় খালি পেটে থাকা শরীরের জন্যও ঠিক নয়। নেমে যেতে পারে সুগার লেভেল। এরফলে মাথা ধরা বা পড়াশোনায় মনোসংযোগের অভাব ঘটার সম্ভাবনা প্রবল হয়। মোটামুটি স্কুল শুরু হওয়ার পর তিন ঘণ্টা পর টিফিন ব্রেক দেওয়া হয়। কিন্তু ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে পেটে কিছু না পড়ার কারণে অনেকের সুগার লেভেল নেমে যায়।
সূত্রের খবর, পরীক্ষাচলাকালীন ডায়াবেটিক পড়ুয়াদের জন্য খুব তাড়াতাড়িই এই স্ন্যাক্স-ব্রেক চালু করার কথা ভাবছে সিবিএসসি। পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা বা ৯০ মিনিটের মাথায় তা চালু করা হতে পারে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি স্পষ্ট করে জানানো যাবে, জানান সিবিএসসির চেয়ারম্যান আর কে চতুর্বেদী।
সর্বশেষ খবর
-
‘ইনফান্তিনোকে সরালে…’, ফিফা সভাপতির পাশে ট্রাম্প, ফুটবল দুনিয়াকে ‘হুমকি’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের?
-
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে খুদের টিফিনবক্স সেজে উঠুক তেরঙ্গায়, রইল ৪ সহজ রেসিপি
-
জম্বি ড্রাগে ছেয়েছে পাঞ্জাব! ভিডিও পোস্ট করলেন ভাজ্জি, সাংসদকে তুমুল ট্রোল নেটিজেনদের
-
মাথার উপর দিয়ে চলে গেল ট্রাক! আমেরিকায় ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের মর্মান্তিক মৃত্যু
-
ডিজিটাল ভারতের সাফল্যের মূল্য যেন সাধারণ মানুষকে চোকাতে না হয়!