চন্দ্রযান ৩ মিশনের সাফল্যের কারিগর কারা? চিনে নিন নেপথ্য নায়কদের

ইসরোর টিমে কাজ করেছেন ৫৪ মহিলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৩, ১১:৫৭

options
link
চন্দ্রযান ৩ মিশনের সাফল্যের কারিগর কারা? চিনে নিন নেপথ্য নায়কদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯। কেঁদেছিল গোটা ভারত। সেদিন মহাশূন্যের অতলে হারিয়ে গিয়েছিল ১৪০ কোটি ভারতবাসীর স্বপ্ন। তার পর পেরিয়েছে চার বছর। চন্দ্রযান ২-র সেই ব্যর্থতার অধ্যায় দ্রুত মুছে ফেলেছে ইসরো (ISRO)। ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র। যে মুহূর্ত চন্দ্রযান-২ মিশন ‘ব্যর্থ’ হল, ঠিক তার পরমুহূর্তেই নতুন উদ্যোমে ঝাঁপিয়ে পড়েন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। তারপর গত প্রায় চারবছর শুধু চাঁদের মাটি ছোঁয়ার স্বপ্ন, আর অক্লান্ত পরিশ্রম। যার ফলাফল, ২৩ আগস্ট ২০২৩-এ দাঁড়িয়ে ইসরোর বর্তমান চেয়ারম্যান এস সোমনাথের মুখের অমলিন হাসি।

Advertisement

কিন্তু এই সাফল্য রাতারাতি আসেনি। দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে গোটা ইসরো। চন্দ্রযান মিশনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকশো বিজ্ঞানীর চেষ্টা। আসলে আগেরবারের ব্যর্থতাতেই ছিল এবারের সাফল্যের সোপান। আর এই সাফল্যের কৃতিত্ব গোটা ইসরোর। তাই প্রশংসা প্রাপ্য গোটা ইসরোরই। এসবের মধ্যেও আলাদা করে বলতে হয় কয়েকজনের নাম। কারা রয়েছেন সেই তালিকায়?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: হাতে চাঁদ পেল ভারত, ১৪০ কোটির স্বপ্ন নিয়ে চন্দ্রপৃষ্ঠে ইসরোর ‘বিক্রম’]

এস সোমানাথ: ইসরোর চেয়ারম্যান সোমনাথ। গোটা মিশনের অন্যতম মূল উদ্যোক্তা। চন্দ্রযানকে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির বাইরে নিয়ে যাওয়া বাহুবলি রকেট এলভিএম-৩ (LVM-3) বানিয়েছেন তিনিই।

Advertisement

পি ভিরামুথুভেল: চন্দ্রযান ৩-এর প্রজেক্ট ডিরেক্টর। চন্দ্রযান ২ মিশনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আগেরবারের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভিরামুথুভেল এবারে অনেক সতর্কভাবে পা ফেলেছেন। চন্দ্রযান নিয়ে নাসার সঙ্গে সমন্বয়ের সাধন মূল ভূমিকা ছিল তাঁর।
মোহনা কুমার: চন্দ্রযান ৩ মিশনের মিশন ডিরেক্টর। এলভিএম-৩ বানানোর ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।
ভি নারায়ণন: চন্দ্রযান ৩-র সফট ল্যান্ডিংয়ে বড় ভূমিকা রয়েছে নারায়ণনের। ল্যান্ডার বিক্রম তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি।
এস উন্নিকৃষ্ণণ নায়ার: বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের চেয়ারম্যান উন্নিকৃষ্ণণ। চন্দ্রযানের সফল লঞ্চারের পুরোধা।
বি এন রামকৃষ্ণ: ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে ইসরোর যোগাযোগ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। গোটা প্রজেক্টের কমিউনিকেশনেই বড় ভূমিকা ছিল তাঁর।

[আরও পড়ুন: ‘স্বপ্নের ভারত গড়তে প্রতিটা ভোট দামী’, নির্বাচন কমিশনের ‘জাতীয় আইকন’ হয়েই বললেন শচীন]

এরা ছাড়াও ইসরোর বিজ্ঞানী এম শঙ্করণ, কল্পনা নন্দগোপাল মুথাইয়া বণিতাদের নাম উল্লেখ করা যায়। আর অবশ্যই উল্লেখ করা দরকার ইসরোয় চন্দ্রযান মিশনের সঙ্গে যুক্ত ৫৪ জন মহিলার নাম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.