Coronavirus

করোনা থেকে সুস্থ হয়েও বাঁচল না প্রাণ, বচসার জেরে আত্মঘাতী নবদম্পতি

করোনা থেকে সেরে ওঠার পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে নিয়মিত ঝগড়া হত স্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০, ১৯:০৮

options
link
করোনা থেকে সুস্থ হয়েও বাঁচল না প্রাণ, বচসার জেরে আত্মঘাতী নবদম্পতি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁদের বিয়ে হয়েছিল মাত্র দশ মাস আগে। শেষ পর্যন্ত ভয়ংকর পরিণতি হল সেই দাম্পত্যের। নেপথ্যে কোভিড-১৯ (COVID-19)। মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হল চেন্নাই (Chennai)। করোনা সংক্রমণ নিয়ে ঝগড়া এবং তার পরিণতিতে আত্মহত্যা করলেন স্বামী-স্ত্রী দু’জনই।

Advertisement

মণিকান্দন (৩৫) ও রাধিকা (২৯) দু’জনে থাকতেন চেন্নাইয়ের পশ্চিম মাম্বালামে। মণিকান্দন চাকরি করতেন পেরুম্বকমের একটি রাসায়নিক ফার্মে। কিলপৌকের একটি ফার্মে চাকরি করতেন রাধিকা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: দ্রুতহারে বাড়ছে সংক্রমণ, ফের সাত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা মোদির]

পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, দু’মাস আগে মণিকান্দন করোনা আক্রান্ত হন। চিকিৎসা চলার পর তিনি সম্পূর্ণ সুস্থও হয়ে ওঠেন। কিন্তু এরপর থেকেই চিড় ধরে মণিকান্দন ও রাধিকার দাম্পত্যে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে নবদম্পতির মধ্যে শুরু হয় ঝগড়া। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঝগড়া ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করে। ১৫ দিন আগে এমনই এক ঝগড়ার পরে রাধিকা কেরোসিন খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি সে যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যান।

Advertisement

এরপর গত শুক্রবার আবারও রাধিকা ও মণিকান্দনের মধ্যে তুমুল বচসা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত মণিকান্দন বাড়ি থেকে বেরলে ফাঁকা বাড়িতে রাধিকা গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন। এদিকে মণিকান্দন বারবার ফোন করেও রাধিকাকে না পেয়ে ভয় পেয়ে যান। শেষ পর্যন্ত বাড়ির মালিকই আবিষ্কার করেন রাধিকা আত্মহত্যা করেছেন। তিনিই পুলিশকে খবর দেন।

[আরও পড়ুন: দেশে ফের দৈনিক আক্রান্তের থেকে বেশি করোনাজয়ীর সংখ্যা, কমল চিকিৎসাধীন রোগী ]

অচেতন রাধিকাকে কিলপৌক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর বাড়ি ফিরে রাধিকার ব্যবহার করা দড়িই গলায় ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করেন মণিকান্দনও। মাম্বা‌লাম পুলিশ মণিকান্দনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে সরকারি হাসপাতালে। দু’জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.