‘কোনদিন শুনব দূষণের কারণে হিন্দুদের দাহ করাও নিষিদ্ধ হয়েছে’

দিল্লিতে বাজি নিষিদ্ধ নিয়ে বিস্ফোরক তথাগত রায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৭, ০৪:৪৫

options
link
‘কোনদিন শুনব দূষণের কারণে হিন্দুদের দাহ করাও নিষিদ্ধ হয়েছে’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দূষণের কারণে দিল্লিতে নিষিদ্ধ হয়েছে আতশবাজি। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লেখক চেতন ভগত। তাঁর প্রশ্ন, কেন শুধু হিন্দুদের উৎসবের উপর নিষেধাজ্ঞার খাঁড়া নেমে আসছে? সেই বিতর্কের রেশ মিটতে না মিটতেই এই ইস্যুতে সরব হলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল তথাগত রায়। সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এবার তো কোনওদিন দূষণের কারণে হিন্দুদের দাহ করাও নিষিদ্ধ হয়ে যাবে।

Advertisement

[  এই তো অবস্থা! বাইক আরোহীর কাণ্ড দেখে হাতজোড় পুলিশের ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দিল্লির দূষণ কী ভয়াবহ তা কারও অজানা নয়। দিওয়ালিতে তা মাত্রা ছাড়ায়। তাই বাজি নিষিদ্ধ করতে আবেদন করেছিল বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। তাতেই সিলমোহর দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালাত। ফলে এবছর দিল্লিতে দিওয়ালিতে আর দেখা যাবে না আতশবাজির রোশনাই। এই সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন ঘোর সংকটে পড়েছেন বাজি প্রস্তুতকারকরা, তেমনই জমে উঠেছে বিতর্ক। তামিলনাড়ুর বিভিন্ন গ্রামে বাজি প্রস্তুত করা হয়। বহু মানুষের রুটি-রুজি এই দিওয়ালির উপর নির্ভর করে। সুপ্রিম সিদ্ধান্তের জেরে জোর প্রভাব পড়তে চলেছে, প্রায় হাজার কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা। অন্যদিকে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন চেতন ভগত। তাঁর দাবি, বাজি ছাড়া দিওয়ালি যেন ক্রিসমাস ট্রি ছাড়া ক্রিসমাস পালনের শামিল। কেন শুধু হিন্দুদের উৎসবের উপর আক্রমণ? তাহলে কি এবার মহরমে রক্তপাত ইত্যাদির উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে? জনপ্রিয় লেখকের এই মন্তব্যের পর শোরগোল পড়েছিল।

Advertisement

[  ‘সাহসিকতা নয়, সাংবাদিকতার ধর্ম পালন করেছি মাত্র’ ]

সে বিতর্কেরই মাত্রা যেন বাড়িয়ে দিলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল। তথাগতবাবুর বক্তব্য, দূষণই যদি কারণ হয়, তাহলে এবার কেউ হিন্দুদের দাহ প্রথার বিরুদ্ধেও আবেদন জানাতে পারে। তাহলে তো কোনদিন শুনব দাহ করাও বন্ধ। রাজ্যপালের মতো পদে থেকেও এভাবে কেন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা যায়। এর জবাবে ত্রিপুরার রাজ্যপালের বক্তব্য, তিনি কোনওভাবেই সাংবিধানিক সীমা অতিক্রম করেননি। নিজের মত প্রকাশের অধিকারেই এই কথা বলেছেন।  বস্তুত বাজি নিষিদ্ধকরণের পিছনে দূষণের কারণটিকে অনেকেই আমল দিতে নারাজ। তাঁদের প্রশ্ন, গাড়িতে সারাবছর যে দূষণ ছড়ায় তা নিয়ন্ত্রণের কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? এক সপ্তাহের দিওয়ালিতে বাজি আটকে বছরভরের দূষণকে কি সামলানো যায়,এ প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে দিল্লিতে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

 ‘নারী-পুরুষ ভাগভাগি করে ৪.৫ মাস গর্ভধারণ করে না কেন?’ ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.