BR Gavai

বিল পাশে রাজ্যপালের ক্ষমতা নিয়ে ‘আপত্তি’ সুপ্রিম কোর্টের, কী জবাব দিল কেন্দ্র?

রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতিদের বিল পাশের সময়সীমা মামলায় নয়া মোড়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৫, ১৯:২০

options
link
বিল পাশে রাজ্যপালের ক্ষমতা নিয়ে ‘আপত্তি’ সুপ্রিম কোর্টের, কী জবাব দিল কেন্দ্র?
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতিদের বিল পাশের সময়সীমা মামলায় নয়া মোড়। রাজ্যপালদের বিপুল ক্ষমতা খর্ব করার পক্ষে সওয়াল করল খোদ সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত বলছে, রাজ্যপালরা যদি কোনও বিল পাশ করানো বা না করানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী হন, তাহলে তো নির্বাচিত সরকার রাজ্যপালের ইচ্ছাধীন হয়ে পড়বে।

Advertisement

গত ১২ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের দুই সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দেয়, আইনসভায় পাশ করা কোনও বিল রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতি কেউই অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে রাখতে পারেন না। ওই বিল নিয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাদের। কিন্তু প্রশ্ন উঠছিল, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতিকে এভাবে ‘নির্দেশ’ দিতে পারে কি? সুপ্রিম কোর্ট পালটা যুক্তিতে বলে, সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, শীর্ষ আদালত ‘সুবিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে’ আইনের ঊর্ধ্বে গিয়ে বিশেষ রায় দিতেই পারে। এ ক্ষেত্রেও তেমনটাই করেছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু শীর্ষ আদালতের সেই রায়ে আপত্তি জানান খোদ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সংবিধানের ১৪৩ ধারা প্রদত্ত বিশেষ অধিকার বলে শীর্ষ আদালতের ওই রায় নিয়ে ১৪টি প্রশ্ন তুলে দেন তিনি। যার ফলে ওই রায় পর্যালোচনার জন্য পাঁচ সদস্যের প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স বেঞ্চ তৈরি হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেই বেঞ্চই বুধবার প্রশ্ন তুলল, “বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা কি রাজ্যপালকে সব ক্ষমতা দিয়ে দিচ্ছি না? এভাবে তো জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার রাজ্যপালের ইচ্ছার অধীন হয়ে যাবে।” খোদ প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই বলেন, “এভাবে অসীম ক্ষমতা দেওয়া হলে রাজ্যপালরা তো আজন্মকাল বিলগুলি আটকে রাখবেন।” জবাবে কেন্দ্রের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বলছেন, “কেউ সরাসরি নির্বাচিত নন, মানেই তিনি কম গুরুত্বপূর্ণ নন।” তাঁর সওয়াল, রাজ্যপাল কোনও বিলে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না মানে সেই বিল মৃত। তিনি চাইলে বিল পাশ করাতে পারেন আবার ফেরতও পাঠাতে পারেন।”

Advertisement

তাতে পালটা সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তুলল, এতে কি সংবিধান প্রণেতাদের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে। সংবিধান প্রণেতারা তো চেয়েছিলেন দুই পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্য বজায় থাকুক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.