হেমন্ত মৈথিল, মহাকুম্ভনগর: পুণ্য কুম্ভে মোক্ষের খোঁজে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং তাঁর গোটা মন্ত্রিসভা। বুধবার প্রয়াগরাজে পবিত্র ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করলেন যোগী এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা। জনকল্যাণের জন্য প্রার্থনাও করলেন। কুম্ভের সঙ্গমে স্নানকে ভারতীয় সংস্কৃতি এবং সনাতন ধর্মের প্রতীক রূপে বর্ণনা করেন যোগী। তিনি বলেন, পবিত্র সঙ্গমে স্নান শুধুমাত্র ব্যক্তিগত শুদ্ধির বিষয় নয়, এটি সকলের কল্যাণের কাজ। এই স্নান ধর্ম ও সংস্কৃতির শক্তির মাধ্যমে পবিত্রতা ও সমৃদ্ধির অনুপ্রেরণা দেয় বলেও তিনি মনে করেন তিনি।
যোগী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রথমে পূজো দেন ত্রিবেণী কমপ্লেক্সে। এরপর মোটরবোটে চেপে সঙ্গমস্থলে যান। সেখানে মন্ত্রপাঠ ও অন্যান্য আচার সেরে স্নান করেন। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য, ব্রজেশ পাঠক, অর্থ ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী সুরেশ খান্না, জলশক্তি মন্ত্রী স্বতন্ত্র দেব সিং, কৃষিমন্ত্রী সূর্য প্রতাপ শাহি, শিল্প উন্নয়ন মন্ত্রী নন্দ গোপাল গুপ্ত নন্দী, পর্যটন মন্ত্রী জয়বীর সিং, লক্ষ্মী নারায়ণ চৌধুরী, ধরমপাল এবং অনিল রাজভার, আরও ২১ জন মন্ত্রী এবং বাকি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীরা সকলে একসঙ্গে সঙ্গমে স্নান ও পূজা করেন।
যোগী বলেন, মহাকুম্ভের এই মহাযজ্ঞের মাধ্যমে সনাতন ধর্মের প্রধান মূল্যবোধ সকলের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে শান্তি এবং সমৃদ্ধির ছবিও ফুটে উঠেছে। এর আগে ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত কুম্ভমেলায় মুখ্যমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্য, আখড়ার সভাপতি নরেন্দ্র গিরি এবং অন্যান্য সাধুদের সঙ্গে পবিত্র সঙ্গমে স্নান করেছিলেন। স্নানের আগে যোগী সরকার মেলার মাঠেই মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক করেন। সেখানে ৫৪ জন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। স্নান সেরে অমৃতের খোঁজে সঙ্গমে ডুব দেন যোগী ও তাঁর মন্ত্রীরা।
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের