Bharat Jodo Yatra

‘ভারত জোড়ো’র শেষদিন শক্তি প্রদর্শন! তৃণমূল-সহ ২১ দলকে আমন্ত্রণ কংগ্রেসের

কংগ্রেসের ডাকে কোন কোন দল সাড়া দেয়, সেটাই দেখার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৩, ১৯:৩৬

options
link
‘ভারত জোড়ো’র শেষদিন শক্তি প্রদর্শন! তৃণমূল-সহ ২১ দলকে আমন্ত্রণ কংগ্রেসের

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: যাত্রা চলাকালীন যেটা সম্ভব হয়নি, শেষে সেটাই করতে চাইছে কংগ্রেস। ‘ভারত জোড়ো’ যাত্রার শেষদিন সমমনস্ক সব বিরোধী দলকে একত্রিত করার টার্গেট নিল কংগ্রেস (Congress)। সেই লক্ষ্যে ২১টি সমমনস্ক বিরোধী দলকে ভারত জোড়ো যাত্রার সমাপ্তি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।

Advertisement

বুধবার কংগ্রেসের প্রচার বিভাগের প্রধান জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh) টুইট করে জানিয়েছেন, সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করে আগামী ৩০ জানুয়ারি শ্রীনগরে যাত্রা শেষ হচ্ছে। মল্লিকার্জুন খাড়গের (Mallikarjun Kharge) আবেদন, সম্প্রীতি এবং সাম্যের আদর্শকে শক্তিশালী করতে সব বিরোধী দলের প্রতিনিধি ওই দিন শ্রীনগরে উপস্থিত থাকুক। বস্তুত কংগ্রেস ভারত জোড়ো (Bharat Jodo Yatra) যাত্রার সমাপ্তি অনুষ্ঠানটিকে ‘মেগা শো’ হিসাবে তুলে ধরতে চাইছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে গোপনাঙ্গ দেখিয়ে প্রস্রাব ব্যক্তির! ছিঃ ছিঃ কাণ্ড দিল্লি বিমানবন্দরে]

সেজন্য নীতি আদর্শকে হাতিয়ার করছেন খাড়গে। চিঠিতে তিনি লিখেছেন,”৩০ জানুয়ারির ওই অনুষ্ঠানে আমরা ঘৃণা এবং হিংসার বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করার শপথ নেব। সত্য, অহিংসা এবং সহানুভূতির বার্তা ছড়িয়ে দেব।” চিঠিতে খাড়গে বলছেন, ওইদিন মহত্মা গান্ধীর প্রয়াণের বর্ষপূর্তি। ওই অনুষ্ঠানটিও গান্ধীজিকে উৎসর্গ করা হচ্ছে। কংগ্রেস বোঝাতে চাইছে অনুষ্ঠানটি অরাজনৈতিক। তাই অন্যরা তাতে অংশ নিতেই পারে। কংগ্রেস সূত্রের খবর, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, বহুজন সমাজ পার্টির মায়াবতী, আরজেডির তেজস্বী যাদব, ডিএমকের স্ট্যালিন, এনসিপির শরদ পওয়ার, শিব সেনার (Shiv Sena) উদ্ধব ঠাকরে, ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুখ আবদুল্লাহ এবং বাম দলগুলির নেতাদের কাছে গিয়েছে খাড়গের চিঠি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মোবাইল চোরকে ধরতেই হামলা, দিল্লিতে কনস্টেবলকে কোপাল ছিনতাইকারী, দাঁড়িয়ে দেখল জনতা]

আসলে কংগ্রেস একই সঙ্গে বিজেপি (BJP) এবং বিরোধী শিবিরকে বার্তা দিতে চাইছে যে বিজেপি বিরোধিতায় তাঁরাই অগ্রণী। অন্য দলগুলি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে চাইলেও জোটের সূত্রধর তাঁরাই। কিন্তু ৩০ তারিখ যে মেগা শোর পরিকল্পনা হাত শিবির করেছে, সেটা বাস্তবের মাটিতে সেটা করে দেখানো বেশ কঠিন। কারণ কংগ্রেস রাহুলের যাত্রার যতই সাফল্য দাবি করুক, উত্তর ভারতে সেভাবে অন্য বিরোধী দলগুলিকে পাশে পাননি রাহুল। ইউপিএ (UPA) জোটের বাইরের কোনও দল তাঁর সঙ্গে হাঁটেনি। এমনকী সমাজবাদী পার্টি এবং বিএসপির মতো দলও দূর থেকে স্রেফ শুভেচ্ছা জানিয়ে কাজ সেরেছে। তৃণমূলও যথাসম্ভব দূরত্ব বজায় রাখছে এই যাত্রা থেকে। শেষমেশ ক’টা দল কংগ্রেসের ডাকে সাড়া দেয়, সেটাই দেখার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.