Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Nighttime Leg Cramps

রাতে ঘুমের মধ্যেই পায়ে ঝিনঝিনে ব্যথা মানেই পেশির টান নয়! হতে পারে বড় রোগের সংকেত

ঘুমানোর আগে এক-দুই মিনিট পায়ের কাফ ও হ্যামস্ট্রিং মাসল হালকা করে স্ট্রেচ করার অভ্যাস করতে পারেন। নিয়মিত হালকা হাঁটাচলাও উপকারী হতে পারে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৮:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৮:১৭

options
link
রাতে ঘুমের মধ্যেই পায়ে ঝিনঝিনে ব্যথা মানেই পেশির টান নয়! হতে পারে বড় রোগের সংকেত zoom
অস্বস্তিকর এই ঝিনঝিনে অনুভূতি দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয় না।
Advertisement

পায়ের পেশির তীব্র ব্যথায় ঘুম মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া— প্রায় সকলেই কখনও না কখনও এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। একই সঙ্গে পেশি খিঁচুনি ও সারা পা জুড়ে ঝিনঝিনে এক অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে এমন ক্ষেত্রে। তবে দীর্ঘক্ষণ নয়, কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এই ক্র্যাম্প (Nighttime Leg Cramps)। কেন জানেন?

দিনের বেলায় হাঁটা-চলার কারণে পেশি ক্রমাগত প্রসারিত ও সংকুচিত হয়। কিন্তু ঘুমের সময় দীর্ঘক্ষণ নড়াচড়া না করার ফলে পায়ের পেশি একটি নির্দিষ্ট অবস্থায় থেমে থাকে। এর নেপথ্যে থাকতে পারে রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা, কিডনির সমস্যা, ডায়াবেটিসজনিত স্নায়ুর সমস্যা বা শরীরে খনিজের ভারসাম্যহীনতাও।

Advertisement

তবে শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব থেকেও এমন খিঁচুনি দেখা দেয়। কীভাবে বুঝবেন ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি হয়েছে শরীরে?

• প্রায় প্রতি রাতেই পায়ের ব্যথায় ঘুম ভেঙে যাওয়া।
• পা, চোখ অথবা দেহের অন্য কোনও অংশের পেশি দ্রুত কাঁপতে থাকা, যাকে ‘টুইচিং’ বলা হয়।
• পা, হাত অথবা মুখের কোনও অংশ আচমকা ফোলা, অসাড়তা অনুভব করা।
• দুর্বলতা, সারাক্ষণ ঘুম পেতে থাকা।
• আচমকা বুক ধড়ফড়, হৃদস্পন্দনের গতি অস্বাভাবিক বলে মনে হওয়া।
• খিদে একেবারেই কমে যাওয়া, বমি-বমি ভাব লাগা।

Nighttime Leg Cramps and Tingling: Causes You Should Know
পায়ের পেশির খিঁচুনির নেপথ্যে থাকতে পারে শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব।

আচমকা এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে কী করবেন?
• পা সোজা করে পায়ের পাতার আঙুল নিজের দিকে টেনে ধরুন। এতে পায়ের পিছনের পেশি প্রসারিত হয়।
• সম্ভব হলে বিছানা থেকে উঠে ধীরে ধীরে কয়েক পা হাঁটুন।
• যে পেশিতে খিঁচুনি ধরেছে, আলতো করে হাত দিয়ে ম্যাসাজ করলে আরাম মিলতে পারে।
• গরম জলে স্নান করুন। সেই মুহূর্তে স্নান সম্ভব না হলে হিটিং প্যাড চেপে ধরুন পায়ের পেশিতে।

যদি প্রায়শই এমন হয়, তাহলে তা প্রতিরোধ করুন সময় থাকতেই।
ঘুমানোর আগে এক-দুই মিনিট পায়ের কাফ ও হ্যামস্ট্রিং মাসল হালকা করে স্ট্রেচ করার অভ্যাস করতে পারেন। নিয়মিত হালকা হাঁটাচলাও উপকারী হতে পারে। পর্যাপ্ত জল পান করা এবং অতিরিক্ত অ্যালকোহল এড়িয়ে চলাও সাহায্য করতে পারে। ঘুমের সময় এমনভাবে পা রাখার চেষ্টা করুন, যাতে পায়ের আঙুল দীর্ঘক্ষণ নিচের দিকে না থাকে।

তবে পায়ের পেশিতে খিঁচুনি ধরা মানেই যে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি, তা বলা চলে না। ঘন ঘন এমনটা হতে থাকলে অতিঅবশ্যই জানান চিকিৎসককে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.