নাটক শেষ, কর্ণাটকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করল কংগ্রেস-জেডিএস জোট

তবে এখনই অস্বস্তী মিটছে না কুমারস্বামীর, কেন জানেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০১৮, ১৮:২৬

options
link
নাটক শেষ, কর্ণাটকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করল কংগ্রেস-জেডিএস জোট

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দশদিনের টানা নাটকের যবনিকা পতন হল বৃহস্পতিবার। আস্থাভোটে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে সমর্থ হলেন জেডিএস-কংগ্রেস জোটের নেতা তথা কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী। বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করল বিজেপি। বোঝাই গেল চরম বিরোধিতায় আগামিদিনে বিধানসভায় পদে পদে অস্বস্তিতে পড়বেন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। সহজ হবে না সরকার চালানো।

Advertisement

[২০১৯-এ বিরোধীদের টক্কর দিতে বিজেপির হাতে নয়া মন্ত্র]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রমাণ ছাড়াও বৃহস্পতিবার কর্ণাটক বিধানসৌধের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন কংগ্রেসের বিধায়ক কেআর রমেশ কুমার। এই পদের জন্য বিজেপি লড়াই চালালেও, অন্তিম মুহূর্তে প্রতিযোগিতা থেকে পিছিয়ে আসে তারা। নাম প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় পদ্ম শিবিরের পক্ষ থেকে। উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন কংগ্রেসের জি পরমেশ্বর। পাশাপাশি ৩২টি দপ্তরের দায়িত্ব থাকছে কংগ্রেসের হাতে ও ১২ দপ্তর নিয়ে খুশি থাকতে হচ্ছে জেডিএসকে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার পরীক্ষায় মাস্টার ডিগ্রি নিয়ে পাশ করার পরে উপরে উপরে অনেকটা আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামীকে। তবে মনে মনে তাঁকে ভাবাচ্ছে কংগ্রেসের উপ-মুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বরের একটি মন্তব্য। বৃহস্পতিবার সকালেই তিনি জানান, প্রথমত তাঁদের লক্ষ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করা এবং ঠিকঠাক দপ্তর বণ্টন করা। তারপর অন্যান্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সম্পূর্ণ পাঁচ বছর কি জেডিএসকে সমর্থন দেবে কংগ্রেস? এই প্রশ্নের উত্তরে জি পরমেশ্বর জানান, এই বিষয়ে এখনও কোনও দলীয় সিদ্ধান্ত হয়নি। আর এখানেই ঘনাতে শুরু করেছে আশঙ্কার মেঘ। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, তবে কি আবার ২০০৭-এর স্মৃতি ফিরতে পারে সদ্য শপথগ্রহণ করা কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর জীবনে?

Advertisement

[বুদ্ধগয়ায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় ৫ অভিযুক্তই দোষী সাব্যস্ত]

কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচন যেন ছিল কোনও সিনেমার চিত্রনাট্য। ক্ষমতার জন্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে লড়াই। কিন্তু তাতে মাত্রা যোগ করে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ। বিধায়কদের দলবদলের আশঙ্কায় তাদের পাঁচতারা হোটেলে লুকিয়ে রাখা। দুই অপহৃত বিধায়ককে অজ্ঞাত হোটেল থেকে পুলিশের খুঁজে নিয়ে আসা। অবশেষে একপক্ষের পরাজয় স্বীকার করা ও অন্যপক্ষের মুখে জয়ের তৃপ্তি। সম্প্রতি শেষ হওয়া কর্ণাটক নির্বাচন যেন গোটা একটা সিনেমা বা সিরিয়ালের চিত্রনাট্য। উত্থান-পতন সবই রয়েছে সেখানে। রয়েছে দুপক্ষের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য চূড়ান্ত লড়াইয়ের নমুনা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন