পরিশ্রুত

পরিশ্রুত পানীয় জল না পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন উত্তরপ্রদেশের কৃষকের

বিষয়টি জানতে পেরে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০১৯, ১৯:৩২

options
link
পরিশ্রুত পানীয় জল না পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন উত্তরপ্রদেশের কৃষকের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিশ্রুত পানীয় জল না পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানালেন উত্তরপ্রদেশের এক কৃষক। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠিও লিখেছেন তিনি ও তাঁর তিন মেয়ে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। খুব তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন- বিয়ে নয়, মেয়ের স্কুলে পড়ার ইচ্ছা শুনেই খুনের চেষ্টা বাবার]

তিন মেয়েকে নিয়ে উত্তরপ্রদেশের হাতরাস জেলার হাসায়ন ব্লকে বসবাস করেন পেশায় কৃষক চন্দ্রপাল সিং। চাষাবাদ করে সারাবছর যা রোজগার করেন তাতে কোনও রকমে দিন কেটে যায় তাঁদের। কিন্তু, শত চেষ্টা করেও নিজের বা সন্তানদের জন্য পরিশ্রুত পানীয় জল জোগাড় করতে পারেননি তিনি। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি দপ্তরে ঘুরে ঘুরে জুতোর শুকতলা খুইয়ে ফেলেছেন। তবু পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানিয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এতদিন দূষিত জল খেয়েই জীবন কাটিয়ে এসেছি। কিন্তু, আর পারছি না। এত নোনতা জল যে মুখ পুরো বিস্বাদ হয়ে যায়। আমার মেয়েরা যখনই ওই জল খায় তখনই বমি করে ফেলে। সবসময় বোতলের জল কিনে ওদের খাওয়াতে পারি না আমি। তাই পানীয় জলের অভাবে ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে পরিবারের সবাই। এখানকার জল এতটাই লবণাক্ত যে মাঠের ফসলও শুকিয়ে যাচ্ছে। এবিষয়ে সরকারি দপ্তরগুলিতে গিয়ে বহুবার আবেদন জানিয়েছি। কিন্তু, সবাই যেন বোবা-কালা হয়ে গিয়েছেন। কেউ কোনও উত্তরই দেন না। অবহেলা করে বিষয়টি এড়িয়ে যান। বাধ্য হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি ও আমার তিন মেয়ে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানিয়েছি।”

Advertisement

[আরও পড়ুন- তাপপ্রবাহের জের, ২৪ ঘণ্টায় বিহারে মৃত কমপক্ষে পঞ্চাশ]

তবে শুধু চন্দ্রপাল সিং নয়, একই সমস্যায় ভুগছেন ওই এলাকার অন্য বাসিন্দারাও। তাঁদের মধ্যে একজন রাকেশ কুমার বলেন, “এখানকার জল এতটাই লবণাক্ত যে পশুরাও খায় না। প্রতিদিন তিন-চার কিলোমিটার হেঁটে গিয়ে পরিশ্রুত পানীয় জল নিয়ে আসতে হয় আমাদের।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.