২ শ্রাবণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

২ শ্রাবণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছোট থেকে মা বলেছিলেন, পড়াশোনায় মন দিতে৷ মায়ের বাধ্য মেয়ে পৃথিবী উলটে গেলেও সেকথা অমান্য করেনি৷ ধীরে ধীরে বই আর পড়াশোনাই হয়ে গিয়েছে তার জগৎ৷ কিন্তু মধ্যবিত্ত বাবার আবার আলাদা চিন্তা৷ তার কাছে মেয়ে মানে বোঝা ছাড়া কিছুই ন৷ তাই তো মেয়েকে তাড়াতাড়ি শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার চিন্তা করতেন বাবা৷ পড়াশোনার চেয়েও তাঁর কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিয়ে৷ কিন্তু কিশোরী মেয়ে বিয়ে করতে রাজি হয়নি৷ প্রতিবাদ করায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মেয়েকে কোপানোর অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে৷ উত্তরপ্রদেশের এই ঘটনায় উঠেছে নিন্দার ঝড়৷

[ আরও পড়ুন: সিঙ্গল মাদারের সন্তান, স্কুলে ভরতি নিতে প্রিন্সিপালের আপত্তি ঘিরে তুমুল বিতর্ক]

বছর পনেরোর ওই কিশোরী উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরের বাসিন্দা৷ কিশোরীর দাবি, বেশ কয়েকদিন ধরেই বাবা পড়াশোনা ছেড়ে তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিচ্ছিল৷ কিন্তু কিছুতেই রাজি হচ্ছিল না সে৷ দিনকয়েক আগে বাবার সঙ্গে এলাকারই একটি খালের পাশে গিয়েছিল৷ বাবা-মেয়ের দিব্যি গল্প চলছিল৷ কিশোরী জানায়, ‘‘আচমকাই বাবা আমাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়৷ গলায় কাপড়ের ফাঁস দেওয়া হয়৷ এরপর আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকেন৷ তিনি চাইছিলেন আমি পড়া বন্ধ করে বিয়েতে রাজি হই৷’’

নির্মমতার এখানেই শেষ নয়৷ এরপর বাবা এবং ভাই মিলে কিশোরীকে খালে ফেলে দেয় বলেও অভিযোগ৷ লোক জানাজানি এড়াতে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায় দু’জন৷ কোনওক্রমে সাঁতার কেটে খাল থেকে ওঠে সে৷ যোগাযোগ করে জামাইবাবুর সঙ্গে৷ তাঁর তৎপরতায় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে কিশোরীকে৷ সেখানেই আপাতত চিকিৎসা চলছে তার৷

[ আরও পড়ুন: পুলওয়ামায় ফের জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, হাই অ্যালার্ট জারি উপত্যকায়]

দিদির বাড়িতে থেকেই পড়াশোনা করত ওই কিশোরী৷ তার জামাইবাবু বলেন, ‘‘গত দু’মাস ধরে ও আমাদের সঙ্গেই থাকত৷ ওর বাবা চান না পড়াতে৷ বিয়ে দিয়ে দিতে চান৷ মাত্র দু’দিন আগে আমার বাড়ি থেকে ও বাড়ি গিয়েছিল৷ আচমকাই শুনলাম এত কাণ্ড ঘটে গিয়েছে৷’’ কিশোরী তার বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে৷ পুলিশ আধিকারিক দীনেশ ত্রিপাঠী বলেন, ‘‘তদন্তে নেমে প্রথমেই আমরা কিশোরীর বয়ান রেকর্ড করেছি৷ যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেব৷’’ শরীরে যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভরতি থাকলেও বাবার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পথ থেকে সরে আসতে নারাজ সে৷ পড়াশোনা শিখে বড় হওয়ার লক্ষ্য পূরণের মাঝে যেন সব বাধাই তুচ্ছ৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং