Bengaluru

সিলিং থেকে ঝুলছে ইঞ্জিনিয়ার, পাশে স্ত্রীর দেহ! মাকে পাঠানো শেষ ভয়েস মেসেজে কী বলেছিলেন যুবক?

জানা গিয়েছে, বাড়ির মালিকানা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বচসা থেকে চরম পরিণতি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ১০:৪৫

options
link
সিলিং থেকে ঝুলছে ইঞ্জিনিয়ার, পাশে স্ত্রীর দেহ! মাকে পাঠানো শেষ ভয়েস মেসেজে কী বলেছিলেন যুবক?
মৃত দম্পতি সুমন্ত জৈন ও পদ্মাবতী।

বেঙ্গালুরুতে হাড়হিম ঘটনা। ঘর থেকে উদ্ধার স্বামী-স্ত্রীর দেহ। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ঝুলছে সিলিং ফ্যান থেকে। পাশ থেকে উদ্ধার স্ত্রীর নিথর দেহ। জানা গিয়েছে, বাড়ির মালিকানা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বচসা থেকে চরম পরিণতি। স্ত্রীকে মারধর করে বালিশ চাপা দিয়ে খুনের অভিযোগ ওই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে। এরপরই নিজেও আত্মঘাতী হন তিনি। এর মাঝেই মাকে পাঠিয়েছিলেন একটি ভয়েস মেসেজ। ঘটনা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত দম্পতির নাম সুমন্ত জৈন ও পদ্মাবতী। পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন সুমন্ত এবং তাঁর স্ত্রী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বেঙ্গালুরুর লাগ্গেরে এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন দু’জন। জানা গিয়েছে, ওই দম্পতির মধ্যে বচসা বাধে। তারপরেই হাতাহাতিতে গড়ায় অশান্তি। অভিযোগ, উত্তপ্ত বাদানুবাদ চলাকালীন সুমন্ত স্ত্রীর মুখে আঘাত করেন। এরপর বালিশ চাপা দিয়ে তাঁর শ্বাসরোধ করেন। পদ্মাবতী নিস্তেজ হয়ে গেছেন বুঝে, তাঁকে জাগানোর চেষ্টা করেন ওই যুবক, তখন বুঝতে পারেন, তাঁর নিশ্বাস-প্রশ্বাস চলছে না।

Advertisement

ঘটনার পরে সুমন্ত তাঁর মাকে রাত প্রায় সাড়ে ১টা নাগাদ একটি ভয়েস মেসেজ পাঠান বলে জানা গিয়েছে। ওই বার্তায় তাঁর মানসিক অবস্থার ইঙ্গিত মিলেছে বলে তদন্তকারীদের ধারণা। বার্তাটি দেখার পরপরই তাঁর মা বাড়ির মালিকের সাথে যোগাযোগ করেন। ঘর খোলার পর দেখা যায়, হলঘরের সিলিং ফ্যানে সুমন্ত ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন। পাশে তাঁর স্ত্রীর দেহ পড়ে ছিল। রাজাগোপাল নগর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জোড়া মৃত্যুর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত চলছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.