বিশেষ সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: মালদহের আদিনা মসজিদ নিয়ে রাজ্যসভায় বিতণ্ডা বিজেপি ও তৃণমূলের। শুক্রবার বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য সংসদে সরব হতেই তীব্র প্রতিবাদ করেন তৃণমূল সাংসদরা।
শমীকের দাবি, ওই মসজিদটি আসলে আদিনাথ মন্দির। পুরাতত্ত্ব বিভাগের গবেষণায় তা প্রমাণিত। ধর্মীয় এই স্থানটিকে ‘টিকিটিং মনুমেন্ট’- হিসাবে ঘোষণার দাবি জানান তিনি। এরপরেই প্রতিবাদে সরব হয় তৃণমূল। দলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন জানান, নরেন্দ্র মোদি না খেতে দিতে পারছেন। না চাকরি দিতে পারছেন। সব দিক থেকেই ব্যর্থ। তাই মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে মন্দির-মসজিদ নিয়ে রাজনীতি করছেন।
বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়বে। তার আগে ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতিকে আরও তীব্রতা দিতে সক্রিয় হল গেরুয়া শিবির। এবার তাদের হাতিয়ার আদিনা মসজিদ। বিতর্কিত বিষয়টিকে এবার সংসদ পর্যন্ত নিয়ে গেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। এদিন শমীক রাজ্যসভায় বলেন, মসজিদের অন্দরে গণেশের মূর্তি রয়েছে। স্বস্তিক, মঙ্গল কলস, লক্ষ্মীর পা আঁকা রয়েছে। এছাড়া ১৮৫৭ সালে তৎকালীন মালদার কালেক্টর রেবেনশয়ের লেখায় রয়েছে যে, ওখানে মন্দির ছিল। তার ওপর মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে।
বাংলায় এরকম অনেক মসজিদ রয়েছে যেখানে মন্দির ছিল। শমীকের এই দাবির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন তৃণমূল এমপি-রা। পালটা দোলা সেন জানান, “এই বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধেই আমরা প্রতিবাদ করছিলাম। আগে বিজেপি দেশের প্রতিটা মানুষের জন্য বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ব্যবস্থা করুক। মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা করুক। অযথা মন্দির মসজিদ নিয়ে রাজনীতি করবেন না।”
সর্বশেষ খবর
-
মূলস্রোতের স্কুলে পড়বে দিব্যাঙ্গ শিশুরাও! পরিকাঠামো উন্নয়নে নজর রাজ্যের
-
ষষ্ঠ বিদেশি সই করিয়ে ফেলল ইস্টবেঙ্গল, এক বছরের জন্য লাল-হলুদে আইভোরি কোস্টের স্ট্রাইকার
-
ফুচকার লোভ দেখিয়ে নাবালিকাকে ‘ব্যাড টাচ’! গ্রেপ্তার প্রতিবেশী ‘দাদু’, উত্তরপাড়ায় হুলস্থুল
-
চূড়ান্ত হয়ে গেল কলকাতা লিগের ডার্বির দিনক্ষণ, বারাসতে মুখোমুখি হবে মোহন-ইস্ট
-
বুধে বালুরঘাটে সুকান্তের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন মুখ্যমন্ত্রী, মেনুতে থাকছে কোন বিশেষ মাছ?