বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সমাজের মূলস্রোতে ধরে রাখতে উদ্যোগী স্কুলশিক্ষা দপ্তর। সাধারণ সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলে বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের আরও বেশি করে অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তুলতে মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের কর্মশালা। তাতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ, রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী ও এনসিইআরটি, এসসিইআরটি-র আধিকারিকরা।
অনেক ক্ষেত্রেই যথাযথ পরিকাঠামোর অভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা মূলস্রোতের বিদ্যালয়গুলিতে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে তারা সমস্যায় পড়ে। এই ঘাটতি পূরণে রাজ্যজুড়ে স্কুল ভবনগুলিতে র্যাম্প নির্মাণ, বিশেষ সুবিধাযুক্ত শৌচাগার তৈরি, আলো-বাতাসের সুব্যবস্থা এবং হুইলচেয়ার চলাচলের উপযোগী পথ তৈরি করা হবে। এমনটাই জানালেন কৌশিক চৌধুরি। পাশাপাশি বিশেষ শিক্ষক নিয়োগ, উপযুক্ত শিখন ও শিক্ষাদান সামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
শিক্ষাবিদদের মতে, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের পৃথক না রেখে মূলস্রোতের শিক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একই ক্লাসরুমে পড়াশোনা করার সুযোগ পেলে শিশুদের মধ্যে সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বের পরিবেশ গড়ে উঠবে। তাদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠবে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ সার্বিক অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থাকে এক নতুন দিশা দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে। রাজ্যের এই উদ্যোগ সার্বিকভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে শিক্ষামহলে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ষষ্ঠ বিদেশি সই করিয়ে ফেলল ইস্টবেঙ্গল, এক বছরের জন্য লাল-হলুদে আইভোরি কোস্টের স্ট্রাইকার
-
ফুচকার লোভ দেখিয়ে নাবালিকাকে ‘ব্যাড টাচ’! গ্রেপ্তার প্রতিবেশী ‘দাদু’, উত্তরপাড়ায় হুলস্থুল
-
চূড়ান্ত হয়ে গেল কলকাতা লিগের ডার্বির দিনক্ষণ, বারাসতে মুখোমুখি হবে মোহন-ইস্ট
-
বুধে বালুরঘাটে সুকান্তের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন মুখ্যমন্ত্রী, মেনুতে থাকছে কোন বিশেষ মাছ?
-
আরও একটু মেসি হলে ক্ষতি কী! অবসরের পর লিওর নামে ‘সংগ্রহশালা’ উৎসর্গ বারাসতের সন্দীপের