Delhi

বাংলাদেশিদের ভুয়ো নথির জোগান! দিল্লির অভিশপ্ত সেই হোটেল মালিক সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য

দিল্লির ওই হোটেল মালিক বাংলাদেশিদের জন্য জাল পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করেছিলেন। বুধবার রাতেই ফ্লারিশ স্টে হোটেলের মালিক লভকেশ বাজাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৫:৪২

options
link
বাংলাদেশিদের ভুয়ো নথির জোগান! দিল্লির অভিশপ্ত সেই হোটেল মালিক সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য
দিল্লির অভিশপ্ত সেই হোটেলে অগ্নিকাণ্ড। ফাইল ছবি

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে সামনে আসছে একাধিক অনিয়ম, মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা। শুক্রবার আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতেই দিল্লি সরকারের কাছে অবিলম্বে সমস্ত হোটেল, রেস্তরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট হল এবং সিনেমা হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করার দাবি উঠল। জানা গিয়েছে, দিল্লির ওই হোটেল মালিক বাংলাদেশিদের জন্য জাল পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করেছিলেন। বুধবার রাতেই ফ্লারিশ স্টে হোটেলের মালিক লভকেশ বাজাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

Advertisement

এই ঘটনার সূত্র ধরেই ওই তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রের খবর, লভকেশ বাজাজ টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিজের ছত্তরপুরের আবাসিক ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিতেন। ওই ঠিকানা ব্যবহার করে তিনি বাংলাদেশিদের জাল ভারতীয় পাসপোর্ট, আধার কার্ড ও অন্যান্য পরিচয়পত্র তৈরি করতে সহায়তা করতেন। ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি দিল্লির পাহাড়গঞ্জ থানার পুলিশ তাঁকে এই জালিয়াতি চক্রের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে প্রথম গ্রেপ্তার করেছিল। সেই সময় তিনি তিহার জেলে ১৫ দিন থাকার পর জামিনে মুক্তি পান। হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর দিল্লি পুলিশ যখন একাধিক গাফিলতির অভিযোগ পেয়েছে, তখন তদন্তে নতুন করে উঠে এসেছে ওই জালিয়াতি চক্রের তথ্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি দিল্লির পাহাড়গঞ্জ থানার পুলিশ তাঁকে এই জালিয়াতি চক্রের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে প্রথম গ্রেপ্তার করেছিল।

সংবাদ সংস্থার খবর, গত বছর ২৯ জানুয়ারি জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে মধ্য দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকায় এক বাংলাদেশি পরিবারের বসবাসের খবর পায় পুলিশ। সেখানে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এক বৃদ্ধা ও তাঁর নাতিকে খুঁজে পায় পুলিশ। জানা যায়, তাঁর নাম সুইটি সরকার ওরফে বিউটি হাওলাদার ওরফে জোহরা খাতুন। আর একজনকে পুষ্প সরকার ওরফে পুষ্প হাওলাদার ওরফে পুষ্প সাইয়াদা আক্তার হিসাবে শনাক্ত করা হয়। তাঁরা কোনও বৈধ পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে দিল্লি পুলিশ দুটি বাংলাদেশি পাসপোর্ট, একটি ভারতীয় পাসপোর্ট, একাধিক আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করে। তবে উদ্ধার করা তিনটি পাসপোর্ট একই মহিলার ছিল। এমনকী উদ্ধার করা আধার কার্ডগুলিতেও ভিন্ন ভিন্ন নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করা হলেও সেগুলিতেও একই ছবি ছিল।

Advertisement

অভিযুক্ত সুইটি সরকারের জাল পাসপোর্টে ছত্তরপুরের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। তদন্তে দেখা যায়, দক্ষিণ দিল্লির সাকেতের বাসিন্দা লাভকেশ বাজাজের ঠিকানা এটি। পরে জেরায় তিনি জানান, টাকার বিনিময়ে ওই পরিবারকে পরিচয়পত্র তৈরির জন্য নিজের আবাসিক ঠিকানা ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন