Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Andaman

জ্বালানি সংকটের মাঝেই আন্দামানে প্রাকৃতিক গ্যাস ভাণ্ডার! ‘সমুদ্র মন্থনে’ বিরাট সাফল্য

আন্দামান অববাহিকায় ওআইএল-এর অনুসন্ধান কর্মসূচির অধীনে এটি দ্বিতীয় নিশ্চিত হাইড্রোকার্বন আবিষ্কার। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত খনন করা তিনটি অনুসন্ধানমূলক কূপের মধ্যে দু'টিতে হাইড্রোকার্বনের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে। এই আবিষ্কারটি তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, আন্দামান-নিকোবর অববাহিকায় বিশাল, অব্যবহৃত ভাণ্ডার মজুত থাকতে পারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৫:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৫:৩৭

options
link
জ্বালানি সংকটের মাঝেই আন্দামানে প্রাকৃতিক গ্যাস ভাণ্ডার! ‘সমুদ্র মন্থনে’ বিরাট সাফল্য zoom
আন্দামান উপকূলীয় অববাহিকায় মিলল প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান। প্রতীকী ছবি।

আন্দামান উপকূলীয় অববাহিকায় আরও একটি প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে ভারত। যা এই অঞ্চলে অনুসন্ধান প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করেছে। সর্বশেষ এই আবিষ্কারটি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড (ওআইএল)। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এই আবিষ্কারকে সরকারের ‘সমুদ্র মন্থন’ উদ্যোগের অধীনে আরেকটি মাইলফলক হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে পুরী রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটিকে অভিনন্দন জানিয়ে ঘোষণা করেছেন যে, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে প্রায় ৩৫৫ মিটার গভীর জলে ওআইএল-এর খনন করা শ্রী বিজয় পুরম-৩ অনুসন্ধানমূলক কূপে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া গিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ইওসিন স্তরে ১,৯০০ মিটারেরও বেশি গভীরতায় প্রাথমিক উৎপাদন পরীক্ষায় ক্রমাগত ফ্লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। সাম্প্রতিক এই আবিষ্কারটি এই ভাবনাকেই আরও শক্তিশালী করেছে যে, এই অঞ্চলটি ভারতে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন এলাকা হয়ে উঠতে পারে।

Advertisement

এ ছাড়াও, আন্দামান অববাহিকায় ওআইএল-এর অনুসন্ধান কর্মসূচির অধীনে এটি দ্বিতীয় নিশ্চিত হাইড্রোকার্বন আবিষ্কার। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত খনন করা তিনটি অনুসন্ধানমূলক কূপের মধ্যে দু’টিতে হাইড্রোকার্বনের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে। এই আবিষ্কারটি তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, আন্দামান-নিকোবর অববাহিকায় বিশাল, অব্যবহৃত ভাণ্ডার মজুত থাকতে পারে। কারণ, এটি মায়ানমার, থাইল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়ার হাইড্রোকার্বন-সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোর সঙ্গে একই ভূতাত্ত্বিক বলয়ে অবস্থিত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.