Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
PM Modi

সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী! ১০ জুন নেহরুর রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়বেন মোদি

গত বছরই ইন্দিরা গান্ধীর ৪,০৭৭ দিনের একটানা প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড ভেঙেছিলেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১১:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১১:১২

options
link
সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী! ১০ জুন নেহরুর রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়বেন মোদি zoom
নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন ২০১৪ সালের ২৬ মে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুকুটে আরও একটি নতুন পালক। দেশের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে একটানা প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার নতুন রেকর্ড করতে চলেছেন তিনি। আগামী সপ্তাহে ১০ জুনই নতুন এই নজির গড়তে চলেছেন মোদি। ওই দিন ভেঙে যাবে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে জওহরলাল নেহরুর টানা প্রধানমন্ত্রিত্বের রেকর্ড। যা অতিক্রম করে দেশের দীর্ঘতম সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি।

৬২ বছর ধরে দেশের দীর্ঘতম সময়ের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে রেকর্ড ছিল জওহরলাল নেহরুর। ১০ জুন সেই রেকর্ডই ভেঙে একটানা ৪,৩৯৯ দিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি। জওহরলাল নেহরু প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন ১৯৫২ সালের ১৩ মে। ১৯৬৪ সালের ২৭ মে, যেদিন তাঁর মৃত্যু হয় সেই দিন পর্যন্ত অর্থাৎ ৪,৩৯৮ দিন তিনি একটানা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আর নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন ২০১৪ সালের ২৬ মে। পর পর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে জয় লাভ করেন তিনি। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তিনি ইন্দিরা গান্ধীর ৪,০৭৭ দিনের একটানা প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড ভেঙেছিলেন। আগামী ১০ জুন তিনি জওহরলাল নেহরুর সবচেয়ে দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ডও ভাঙতে চলেছেন তিনি। ওই দিন মোদির কার্যকালের ৪৩৯৯তম দিন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নেহরুর সময়ে সদস‌্য স্বাধীন হওয়া একটি দেশকে গড়ে তোলা ও তার উন্নয়নকে মূলত সরকারের দায়িত্ব হিসাবে দেখা হলেও, মোদি সরকারের যুক্তি ছিল ভিন্ন। ১৪০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার দেশে শুধুমাত্র সরকারি যন্ত্রের উপর নির্ভর করে স্যানিটেশন, জল সংরক্ষণ, ডিজিটাইজেশন বা আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মতো বৃহৎ লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই নাগরিকদের শুধু সুবিধাভোগী নয়, উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়। নরেন্দ্র মোদির কার্যকালে বারবার উঠে এসেছে স্বচ্ছ ভারত অভিযান, ডিজিটাল পেমেন্ট, জল সংরক্ষণ, টিকাকরণ কর্মসূচি-সহ একাধিক প্রকল্পকে জনআন্দোলনের রূপ দেওয়ার চেষ্টার মতো প্রসঙ্গ। তা-ই এগিয়ে নিয়ে চলেছে মোদিকে। যার সামনে নতুন রেকর্ড তৈরি হওয়ার অপেক্ষায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.