বেডশিট কিনে এনেছিলেন। তারপর ব্যবহারের আগে তা একবার ধুতে দিয়েছিলেন। কিন্তু এরপরই আচমকা চোখ গেল সেই চাদরের ট্যাগে। সেখানে লেখা ‘মেড ইন পাকিস্তান’! এমনই অভিজ্ঞতা মহারাষ্ট্রের এক গৃহবধূর। স্বাভাবিক ভাবেই এমন ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। ক’দিন আগেই পাকিস্তানি প্রসাধনী বিক্রি হতে দেখা গিয়েছিল মহারাষ্ট্রের সাম্ভাজিনগরে। এবার পুণের গৃহবধূর অভিযোগ, বিছানার চাদর জলে ধুতেই দৃশ্যমান হয়েছে ট্যাগে পাকিস্তানের নাম! প্রশ্ন উঠছে, কী করে পাকিস্তানে তৈরি সামগ্রী এদেশে বিকোতে পারে? বিষয়টা খতিয়ে দেখতে তৈরি হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল।
জানা গিয়েছে, গত বুধবার মৌর্য গোসাভি মন্দির চত্বরে সংস্কৃতি চতুর্থী মেলায় গিয়েছিলেন ওই মহিলা। আর সেখান থেকেই বিছানার চাদরটি কেনেন তিনি। কিন্তু কাচার পর ‘মেড ইন পাকিস্তান’ চোখে পড়তেই সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন ওই গৃহবধূ। প্রশ্ন তোলেন, কী করে পাকিস্তানের পণ্য স্থানীয় বাজারে ঢুকে পড়ল? দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি। নজরে পড়ে কর্তৃপক্ষেরও। স্থানীয় পিম্পরি-চিঞ্চাওয়াড় থানা বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছে। ইতিমধ্যেই গঠিত হয়েছে সিট। এই পণ্যের উৎস, এবং কী করে তা ওই মেলায় এল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্থানীয় পুরসভাকে চিঠি লিখে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চেয়েছে।
আরও পড়ুন:
এর ঠিক তিনদিন আগে মহারাষ্ট্রেরই সাম্ভাজিনগরে প্রসাধনী বিক্রি হচ্ছিল, যা পাকিস্তানে তৈরি। পুলিশ এই ইস্যুতে তিনজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাকিস্তানের সামগ্রী কী করে এভাবে স্থানীয় বাজারে চলে আসছে তা খতিয়ে দেখতে সব রকম সূত্রই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারা কারা এর সঙ্গে জড়িত আছে, তা চিহ্নিত করা হবে। আশা, দ্রুতই এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য হাতে আসবে তদন্তকারীদের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সিপিএম-আরএসপি দ্বন্দ্ব চরমে! চূড়ান্ত হলো না দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রার্থী
-
‘নিখোঁজ’ বিডিও কীভাবে পাচ্ছেন বেতন? প্রশান্ত বর্মনের মামলায় সিআইডিকে ‘ভর্ৎসনা’ হাই কোর্টের
-
তসলিমার বক্তৃতা নিয়ে প্রশ্ন স্কুলের পরীক্ষায়! ‘লেখাকে অত সহজে নির্বাসিত করা যায় না’, খোঁচা লেখিকার
-
মণ্ডপের বদলে এবার গঙ্গাতেই প্রতিমা নিরঞ্জন, বিতর্ক কাটিয়ে এবার থিমে কোন চমক দেবে টালা প্রত্যয়?
-
শেফালির ঝড়, দীপ্তির দুরন্ত ঘূর্ণি! বাংলাদেশকে উড়িয়ে ১০ এশিয়া কাপের ১০ আসরেই ফাইনালে ভারত