জেএনইউ উপাচার্য

‘ক্যাম্পাস বহিরাগতদের আশ্রয়স্থল নয়’, অশান্তি নিয়ে পড়ুয়াদের বললেন JNU উপাচার্য

অসহায় মানুষজনকে ক্যাম্পাসে ঠাঁই দিতে চেয়েছিল পড়ুয়াদের একাংশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২০, ১৮:৫০

options
link
‘ক্যাম্পাস বহিরাগতদের আশ্রয়স্থল নয়’, অশান্তি নিয়ে পড়ুয়াদের বললেন  JNU উপাচার্য

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে আশ্রয়স্থল বানাবেন না। দিল্লির উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের কাছে এমনই আবেদন জানালেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম জগদীশ কুমার। টুইট করেও একথা জানিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে শান্তি বজায়ের স্বার্থে তাঁর এই নির্দেশ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিকের পথে। ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে রাজধানী।

Advertisement

গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া উত্তরপূর্ব দিল্লির CAA বিরোধী অশান্তির আঁচ পড়েছে প্রায় গোটা শহর জুড়েই। তা চরমে উঠেছিল এই সপ্তাহের প্রথমার্ধ্বে। রাস্তায় বেরিয়ে অসহায়তার মধ্যে পড়েন অনেকে। সেইসময় জেএনইউ-এর পড়ুয়ারা জানিয়েছিলেন যে কেউ কোনওরকম অসুবিধায় পড়লে যেন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আশ্রয় নেয়। ক্যাম্পাসের দরজা সেসব অসহায় মানুষজনের জন্য খোলা। তাঁদের এই ঘোষণাকে নস্যাৎ করে দিয়েই নয়া বিজ্ঞপ্তি জারি করলেন জেএনইউ-এর উপাচার্য। তাঁর মতে, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার দিকই সর্বাধিক নজর দেওয়া কর্তব্য। সেকথা ভেবেই বহিরাগতদের জন্য জেএনইউ ক্যাম্পাসকে এভাবে খোলা রাখতে নারাজ তিনি।

[আরও পড়ুন:‘নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নই নেই, মোদি জন্মসূত্রে ভারতীয়’, RTI-এর জবাবে জানাল পিএমও]

উপাচার্যের কথায়, “আমরা চাই, দিল্লিতে শান্তি ফিরে আসুক। যাঁরা অশান্তির মধ্যে আছেন, তাঁদের সবরকম সাহায্য প্রয়োজন, তাও বুঝতে পারছি। আমাদের কয়েকজন ছাত্রছাত্রী ক্যাম্পাসের দরজা তাঁদের জন্য খোলা রাখার কথা বলেছেন। এই পড়ুয়ারাই ক্যাম্পাসে জানুয়ারি মাসে বহিরাগত প্রবেশের প্রতিবাদ করেছিলেন তাই তাদেরই বলছি, নিজেদের ক্যাম্পাসকে বহিরাগতদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ঘোষণা করবেন না।” বরং তাঁর পরামর্শ, পড়ুয়ারা নিজেরা ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ করে ওইসব এলাকায় গিয়ে সাহায্য করে আসুক। তাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনও আপত্তি নেই, সমর্থনই আছে বলেও আশ্বস্ত করেছেন উপাচার্য এম জগদেশ কুমার। তিনি আরও বলেছেন, “মানবিকতার স্বার্থে আমাদের ওই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানো কর্তব্য। তবে কোন পথে তা করা হবে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীদের এই সিদ্ধান্ত তাঁদের নিজেদেরই বিপদ ডেকে আনবে বলে মনে করছেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: মার্চে ৩ দিনের ব্যাংক ধর্মঘট স্থগিত, আন্দোলনকারীদের নয়া ঘোষণায় স্বস্তিতে গ্রাহকরা]

জেএনইউ উপাচার্যের এই বিজ্ঞপ্তির পর ওয়াকিবহাল মহলের একাংশে সমালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। যাঁরা একদা ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশের প্রতিবাদ করেছিল, তাঁদের উদ্দেশেই এই পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসকে ‘বহিরাগতদের আশ্রয়স্থল’ না করার নির্দেশ দেওয়ার মধ্যে আসলে কী অভিসন্ধি রয়েছে, তা স্পষ্ট বলে মনে করছেন অনেকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.