DRDO

সফল কপ্টার থেকে দেশি মিসাইল ছোড়ার পরীক্ষা, ভারতীয় সেনার মুকুটে নয়া পালক

গতিবেগ আলোর চেয়েও বেশি বিধ্বংসী নয়া ক্ষেপণাস্ত্রের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২৩, ১৯:৫২

options
link
সফল কপ্টার থেকে দেশি মিসাইল ছোড়ার পরীক্ষা, ভারতীয় সেনার মুকুটে নয়া পালক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের শপথে ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে ভারতীয় সেনা। প্রতিরক্ষা বিষয়ক গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও-র (DRDO) সহযোগিতায় এবার একটি সিকিং ৪২বি হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া হল দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। সেনা এই সফল পরীক্ষা চালাল প্রথমবার। ভারতীয় সেনা জানিয়েছে, নিখুঁত লক্ষ্যে আঘাত করেছে বিধ্বংসী ওই ক্ষেপণাস্ত্র।

Advertisement

উল্লেখ্য, ডিআরডিও তৈরি করেছে এই এনএএসএম-এসআর (NASM-SR) বা নাভাল অ্যান্টি-শিপ মিসাইল-শর্ট রেঞ্জ। যুদ্ধবিমান নয়, সেনার হেলকপ্টার থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা যাবে। যা শত্রপক্ষকে চোখের নিমেষে নিশ্চিহ্ন করতে সক্ষম। দীর্ঘদিন ধরেই মিশাইল ও হেলকপ্টারের যুগলবন্দির অপেক্ষায় ছিল সেনা। ২১ নভেম্বরের সফল পরীক্ষায় সেই অপেক্ষা কাটল বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

[আরও পড়ুন: ‘আপনি সত্যিই অগ্নিকন্যা’, মমতার ভূয়সী প্রশংসা আম্বানির, আরও ২০ হাজার কোটি লগ্নির ঘোষণা]

উল্লেখ্য, এনএএসএম-এসআর মিসাইলের পাল্লা ৫৫ কিলোমিটার অবধি। গতি মাক ০.৮, অর্থাৎ আলোর গতিবেগের ০.৮ গুণ বেশি। ইনফ্রা-রেড ইমেজিং প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে জ্যামার ব্যবহার করেও এই মিসাইল প্রতিরোধ করা যায় না। প্রাথমিকভাবে হেলিকপ্টার থেকে ছোড়ার জন্য তৈরি করা হলেও সহজেই মিসাইলটি জাহাজ এবং স্থলযান থেকেও ছোড়া যায়।

 

[আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধের আবহেও ভারত-রাশিয়ার বাণিজ্যে ব্যাপক বৃদ্ধি, উচ্ছ্বসিত রুশ রাষ্ট্রদূত]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন