Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Tulu Mondal

তুরস্ক হয়ে দুবাইয়ে ঘাঁটি টুলুর! বিদেশে বসেই ‘রিমোট কন্ট্রোলে’ চলছে ব্যবসা, পুলিশের হাতে বিস্ফোরক তথ্য

দেশ ছেড়ে গেলেও নিজের সাম্রাজ্যের ‘রিমোট কন্ট্রোল’ এখনও টুলুর হাতেই?

সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৭:১২

link
সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৭:১২

options
link
তুরস্ক হয়ে দুবাইয়ে ঘাঁটি টুলুর! বিদেশে বসেই ‘রিমোট কন্ট্রোলে’ চলছে ব্যবসা, পুলিশের হাতে বিস্ফোরক তথ্য zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

প্রায় তিন মাস আগেই ছাড়েন দেশ। হাজার হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য থেকে বহু দূরে বিদেশের মাটিতে ঘাঁটি গেড়েছেন বীরভূমের পাথর মাফিয়া টুলু মণ্ডল (Tulu Mondal)। টুলুর পরিচিতদের সূত্রে দাবি, চলতি বছরের ২৩ মে দেশ ছাড়েন তিনি। প্রথমে তুরস্ক এবং পরে দুবাইয়ে আশ্রয় নেন বলে জানা যাচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ! এমনই দাবি তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের।

টুলুর একটি বাগানবাড়ির সামনে থেকে গাড়িভর্তি গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। তদন্তকারীদের দাবি, নথিগুলি অন্যত্র সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছিল।

কিন্তু বিদেশে বসেও কি থেমে নেই টুলুর ‘অপারেশন’? পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যাচ্ছে, দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও নিজের বিশ্বস্ত কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন তিনি। আর সেই যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম অ্যাপলের বিশেষ নিরাপত্তাযুক্ত ফেসটাইম যোগাযোগ ব্যবস্থা। অভিযোগ, ফোনের ওপার থেকে কর্মচারীদের একের পর এক নির্দেশ টুলু দিচ্ছেন বলে খবর। বিশেষ করে কোন নথি কোথা থেকে সরাতে হবে, কোন জায়গায় কীভাবে ব্যবস্থা করতে হবে, সবই নাকি বিস্তারিতভাবে কর্মচারীদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন বলে খবর। আর তা সবটাই পরিকল্পনামাফিক চলছে বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে খবর। এহেন পরিস্থিতিতে তদন্তকারীদের নজরে এখন শুধু টুলুর দেশ-বিদেশের সম্পত্তিই নয়, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ব্যক্তিরাও।

Advertisement

আর এই রহস্যেরই নতুন সূত্র মিলেছে কয়েকদিন আগে। টুলুর একটি বাগানবাড়ির সামনে থেকে গাড়িভর্তি গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। তদন্তকারীদের দাবি, নথিগুলি অন্যত্র সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছিল। বিদেশে বসে টুলুর (Tulu Mondal) নির্দেশেই এই নথি সরানোর চেষ্টা হয়েছিল বলেও আদালতে দাবি জানিয়েছিলেন সরকারি আইনজীবী। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে টুলুর বিপুল সম্পত্তি, ব্যবসায়িক লেনদেন এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ঘিরে একের পর এক তথ্য। ইতিমধ্যেই তাঁর সম্পত্তির উৎস খুঁজতে তদন্ত শুরু হয়েছে। সেই তদন্তে বিদেশে থাকা টুলুর সঙ্গে দেশে থাকা সহযোগীদের যোগাযোগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে, সেটিই এখন দেখার।

তাহলে কি দেশ ছেড়ে গেলেও নিজের সাম্রাজ্যের ‘রিমোট কন্ট্রোল’ এখনও টুলুর হাতেই? বাগানবাড়ির সামনে গাড়িভর্তি নথি উদ্ধারের পর সেই প্রশ্নই আরও জোরালো হয়েছে। তদন্তের জাল যত গুটোচ্ছে, টুলু-কাণ্ডের রহস্যও যেন ততই ঘনীভূত হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.